নিজস্ব প্রতিবেদক: দারুল উলূম দেওবন্দের সিলেবাস রাসূল সা. এর মিশনকে সামনে রেখে প্রণয়ন করা হয়েছে। ফলে এ সিলেবাসের মাধ্যমে যুগে যুগে অসংখ্য যুগশ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব সৃষ্টি হয়েছে। তবে সময়ের পরিবর্তনে দেওবন্দের সিলেবাসের মূল বিষয়াদি ঠিক রেখে কওমী মাদরাসার শিক্ষা সিলেবাসে সংযোজন ও বিয়োজন করতে হবে।

তাই যুগ-চাহিদা অনুযায়ী কওমী মাদরাসার সিলেবাসকে ঢেলে সাজাতে হবে। এক্ষেত্রে লক্ষনীয় বিষয় হলো আমাদের সিলেবাস অধ্যায়নকারীরা যেন রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে সক্ষমতা অর্জনে এবং আত্মাধাতিক শক্তিতে বলিয়ান হয়ে ওঠে। আজ মঙ্গলবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাব সংলগ্ন বিএমএ মিলনায়তনে বাংলাদেশ কুরআন শিক্ষা বোর্ডের উদ্যোগে “কওমী মাদরাসা শিক্ষা কারিকুলাম” শীর্ষক আন্তর্জাতিক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন। কুরআন শিক্ষা বোর্ডের নির্বাহী চেয়ারম্যান মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ নূরুল করীম কাসেমীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন শায়েখ যাকারিয়া ইসলামিক রিসার্চ সেন্টারের মহাপরিচালক মুফতী মিজানুর রহমান সাঈদ।

প্রবন্ধের উপর আলোচনা করেন দারুল উলুম দেওবন্দ ভারতের সিনিয়র মুহাদ্দিস আল্লামা মুজিবুল্লাহ কাসেমী, নাযেমে দারুল ইকামা আল্লামা মুনিরুদ্দিন নকশবন্দী, নদওয়াতুল উলামা লখনৌর শাইখুল হাদীস আল্লামা নিয়াজ আহমদ নদভী, মিশর আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. আবু ইয়া’লা আহমদ সিদক্বী, বেফাক এর মহাসচিব আল্লামা আব্দুল কুদ্দুস, আল্লামা নুরুল হুদা ফয়েজী, বগুড়া জামিল মাদরাসার সিনিয়র মুহাদ্দিস মাওলানা আব্দুল হক আজাদ, বেফাক দ্বীনিয়া এর মহাসচিব মুফতী মোহাম্মাদ আলী, হাইআতুল উল্ইয়া’র পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাওলানা মুহা. ইসমাঈল হোসেন, মুফতী আবু ইউসুফ, মুফতী হেমায়েতুল্লাহ কাসেমী, মোমেনশাহীর মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ, মুফতী নূরুল আমীন, প্রিন্সিপাল শেখ ফজলে বারী মাসউদ, মুফতী আব্দুল আজিজ কাসেমী, মুফতী সানাউল্লাহ, মুফতী মুরতাজা, মুফতী মাছউদুর রহমান চাঁদপুরী প্রমুখ। বক্তাগণ আরো বলেন, আগামী প্রজন্মকে নৈতিকতা সম্পন্ন দেশ প্রেমিক হিসেবে গড়ে তুলতে সাধারণ শিক্ষা ব্যবস্থাসহ শিক্ষার সকল স্তরে ধর্মীয় শিক্ষা বাধ্যতামূলক করতে হবে।

Facebook Comments