ডাকসু নির্বাচনে সকল ছাত্র সংগঠনের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ঢাবি কর্তৃপক্ষ নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনে ব্যার্থ হলে বহুল প্রত্যাশিত ডাকসু নির্বাচন সাধারণ ছাত্রদের নিকট অর্থবহ ও গ্রহণ যোগ্য হবে না।

ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন ১৯৯১ সালের ২৩ আগষ্ট প্রতিষ্ঠার পর থেকে শুরু করে দেশ প্রেম ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বুকে ধারণ করে বাংলাদেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গঠনমূলক রাজনীতি করে যাচ্ছে। কিন্তু দুঃখ ও পরিতাপের বিষয় ঢাবি কর্তৃপক্ষের সাথে একাধিকবার বৈঠক ও যোগাযোগ করার পরেও ডাকসু নির্বাচনে অংশগ্রহনের বিষয়ে আমরাসহ অনেক ছাত্র সংগঠনই এখন পর্যন্ত ইতিবাচক সাড়া পাইনি। আমরা আশাবাদি ঢাবি কর্তৃপক্ষ নির্বাচনকে অংশগ্রহণমূলক ও নিরপেক্ষ করতে ডাকসু নির্বাচনে ইশা ছাত্র আন্দোলন-এর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেবে।

এক যৌথ বিবৃতিতে ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি সাইফুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান উপর্যুক্ত কথা বলেন।


তারা আরো বলেন, দীর্ঘ ২৮ বছরেরও বেশি সময়ের পর আদালতের আদেশের বাধ্যবাধকতাকে সামনে রেখে শেষ পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আগামী ৩১ মার্চ’১৯-এর মধ্যে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনের উদ্দ্যোগকে আমরা স্বাগত জানাই। এই নির্বাচন আয়োজন ইতিবাচক এবং এই নির্বাচন দেশের রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন ও জাতীয় নেতা তৈরীতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আমরা আশাবাদি। ডাকসু নির্বাচন জাতীয় নির্বাচনের মতই এই দেশের ছাত্র সমাজের কাছে আগ্রহ ও উৎসবের জায়গা। এই নির্বাচন সুষ্ঠ, অবাধ ও নিরপেক্ষ হওয়া জরুরী। সব ছাত্র সংগঠনের অংশগ্রহণে ডাকসু নির্বাচন দেওয়া সময়ের দাবী।


যদি সব ছাত্র সংগঠনের অংশগ্রহণে অংশগ্রহণমূলক ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনে ঢাবি কর্তৃপক্ষ ব্যার্থ হয়, তাহলে সাধারণ ছাত্র সমাজ এই নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করবে এবং ডাকসু নির্বাচন বাতিলের দাবীতে আন্দোলন গড়ে তুলবে।

Facebook Comments