আইএবি নিউজ ডেস্ক: নারী-পুরুষের সমন্বিত প্রয়াসের বাস্তব রূপায়নই হলো আজকের মানব সভ্যতা। মানব সৃষ্টির সূচনাকাল থেকেই নারী আর পুরুষ একে অপরের সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করছে। কিন্তু কালক্রমে সমাজ ও রাষ্ট্র ব্যবস্থায় ঐশী বিধানের বাহিরে স্বার্থন্বেষী মতবাদ গড়ে তুলতে শুরু করলে মানব সমাজের অবিচ্ছেদ্য অংশ ‘নারীরা’ সমাজের মূল ধারা থেকে ছিটকে পড়ে। শুরু হয় নারী নিপীড়ন ও অবদমনের এক নির্মম ধারা। যে ধারা আজও বিদ্যমান।
আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দেলন-এর কেন্দ্রীয় সভাপতি জি.এম. রুহুল আমীন, কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি শেখ ফজলুল করীম মারুফ এবং সেক্রেটারি জেনারেল শেখ মুহাম্মাদ সাইফুল ইসলাম উপর্যুক্ত মন্তব্য করেন। নেতৃদ্বয় আরও বলেন, আজ সভ্যতা অনেক উন্নত হয়েছে বলা হলেও নারী নির্যাতন, নিপীড়ন ও নারীকে অধীনস্ত করে রাখার প্রবণতা আজও বিদ্যমান।

পূঁজিবাদী অর্থব্যবস্থা নিজেদের পণ্যের বাজারজাতকরণে নারীকে যাচ্ছে তাই ভাবে উপস্থাপন করে নারীকেও পণ্য বানিয়ে ফেলেছে। নারীর দৈহিক সৌন্দর্যকে সামনে এনে নারীর মানবিক সত্ত্বাকে অপমান করা হচ্ছে।

তারা আরো বলেন, নারীর প্রকৃত স্বাধীনতা হল- যেকোন সিদ্ধান্ত গ্রহণে তার স্বাধীনতা, সম্পদে তার পূর্ণ অধিকার এবং মানবিক মর্যদায় জীবন যাপন; পূঁজিবাদের পণ্য বাজারজাত করণে ব্যবহৃত হওয়া নয়।

নেতৃদ্বয় আরও বলেন, রাসূল সা.ই সর্বপ্রথম নারীকে মানুষ হিসেবে পূর্ণ মর্যাদায় অভিষিক্ত করেছেন। তাকে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা দিয়েছেন। সম্পদের পূর্ণ মালিকানা দিয়েছেন। তাই প্রকৃত নারীমুক্তি অর্জনের লক্ষে রাসূল সা. এর পথ অনুসরণই একমাত্র উপায়।
এবারের নারী দিবসের মূল প্রতিপাদ্য হোক নারীর প্রকৃত মুক্তির লক্ষে ইসলামী অনুশাসনের অনুসরণ।

বার্তা প্রেরক : মুহাম্মাদ ইলিয়াস হাসান
কেন্দ্রীয় তথ্য-গবেষণা ও প্রচার সম্পাদক

Facebook Comments