গত রবিবার (২৩ ডিসেম্বর) ইসলামী আন্দোলন কুয়ালালামপুর সিটি শাখার উদ্যোগে “স্বাধীনতার ৪৭ বছর ও আমাদের প্রাপ্তি” শীর্ষক সেমিনার ও দোয়া মাহফিল কুয়ালালামপুরস্থ হোটেল মেট্রোতে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন মালয়েশিয়া শাখার কেন্দ্রীয় সংগ্রামী আহবায়ক মুফতি আমিরুল ইসলাম। বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সংগ্রামী সভাপতি, মালয়েশিয়ার লিংক্কুইন ইউনিভার্সিটির মেধাবী ছাত্র মাওলানা গাজী আবু হোরায়রা, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব মাওলানা তাওহীদুল ইসলাম, মালয়েশিয়া ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি (IIUM) এর মেধাবী ছাত্র মুফতি মঞ্জুরুল ইসলাম।

এছাড়াও বক্তব্য রাখেন ক্লাং শাখার সভাপতি মাওলানা জসিম উদ্দিন, সেক্রেটারি মুজাহিদুর রহমান (মাসুম), সাংগঠনিক সম্পাদক জনাব রুবেল হোসেন, কুয়ান্তান শাখার সভাপতি জনাব তারা মিয়া, জালান ইম্বি শাখার সভাপতি মুফতি উমর ফারুক, কুয়ালালামপুর সিট শাখার সেক্রেটারি হাফেজ ইসমাইল হোসেন ভুইয়া, সাদ্দাম হোসেন, হাঃ হাবিবুর রাহমান প্রমুখ। প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে স্বাধীনতার পর থেকে অদ্যাবধি দূর্নীতির এক খসড়া তুলে ধরে বলেন, আমাদের দেশের প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো পরীক্ষিত। ক্ষমতার অনেক পালাবদল আমরা দেখেছি, সবুজ বাংলা, সোনার বাংলা, ডিজিটাল বাংলা, কোন কিছুতেই আমাদের অর্জিত স্বাধীনতার সুফল প্রতিফলন হয়নি, আমাদের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়নি। বরং দেশ ক্রমাগত অর্নীতিতে নিমজ্জিত হয়েছে, দেশে সন্ত্রাস, মাদক, অস্ত্রবাজী, টেন্ডারবাজী মহামারী আকার ধারণ করেছে।

তাই এবার আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলনকে কমপক্ষে পরীক্ষার জন্য হলেও একবার ক্ষমতায়ন করা দরকার। প্রধান বক্তা দূর্নীতির সমিকরণ তুলে ধরে বলেন, একেকটা দল ক্ষমতায় গিয়ে শুধুমাত্র নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তন করেছেন, জনগণের ভাগ্য অপরিবর্তীতই রয়ে গেছে।

বিশেষ অতিথি মুফতি মঞ্জুরুল ইসলাম ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আগামী একাদশ সংসদ নির্বাচনের ইশতিহার বিশ্লেষণ করে বলেন, অনেকেই বারবার এই ধরণের ইশতেহার ঘোষণা করেছেন, কিন্তু বাস্তবায়িত হয় নাই, তাই ওদের ইশতিহার হল লৌকিক, এই লৌকিকতার পিছনে না দৌড়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর বাস্তবসম্মত ইশতিহারকে কাজে লাগানোর এখনই সময়। কুয়ালালামপুর সিটি শাখার সভাপতি মাওলানা মাসউদ উর রাহমানের সভাপতিত্বে স্বাধীনতা যুদ্ধের শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মুনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শেষ করা হয়।

Facebook Comments