| |

ইসলামী রাজনীতি কেন প্রয়োজন? একটি সরল অনুসন্ধান

প্রকাশিতঃ ১১:৪৫ অপরাহ্ণ | মার্চ ১২, ২০১৮

তারেক আদনান: রাজনীতি অর্থ রাষ্ট্রে বা কোন নির্দিষ্ট ভূখন্ডে বসবাসরত মানুষের উপর এবং তাদের কল্যাণের নিমিত্তে শাসনকাজ পরিচালনার মূলনীতি বা পদ্ধতি।ইংরেজিতে বলে Politics, Statecraft।

অক্সফোর্ড ডিকশনারি মতে-“The activities associated with the governance of a country or area, especially the debate between parties having power.” দার্শনিক এরিস্টটলের মতে- “Politics is an ethical activity concerned with creating a ‘just society’.”

ইসলামী রাজনীতি হল- রাষ্ট্রের রাজনৈতিক ব্যবস্থা ইসলামের দিক-নির্দেশনা অনুযায়ী পরিচালিতকরণের প্রচেষ্টা অথবা ইসলামের রাজনৈতিক মতাদর্শ অনুসারে রাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থা প্রণয়ন এবং বাস্তবায়ন। তাছাড়া, রাজনীতিকে যদি সরকার পরিচালনার সীমাবদ্ধ সংজ্ঞায়ও ধরা হয় তবে রাজনীতি ইসলামের অন্যতম প্রধান বিষয়।

‘সৎ কাজের আদেশ কর এবং মন্দ কাজ নিষেধ কর’ কুরআনের এ আহবান; ন্যায়বিচার ও অন্যান্য ঐশী গুণাবলী ও নির্দেশনা প্রভৃতি সমুন্নত রাখার জন্য সমাজের প্রত্যেক মানুষের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সরকার পরিচালনায় অংশগ্রহণ করা প্রয়োজন।কুরআনে নৈরাজ্য ও বিশৃংখলাকে নিন্দা করেছে এবং রাসূলুল্লাহ (সা.) সমাজে সংগঠন ও কর্তৃত্বের উপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন। তাছাড়া, খোলাফায়ে রাশেদা ও তাঁদের সাথীগণ এই মর্মে মত প্রকাশ করেছেন যে, আল্লাহ পাকের ইচ্ছা বাস্তবায়নের যে ঐশী দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে তার দায়ভার যুগপৎ ব্যক্তিগত ও সামষ্টিকভাবে সম্পাদন করতে হবে। জীবনের প্রতি তাদের দৃষ্টিভঙ্গি ধর্মীয় শুভবোধ দ্বারা এমনভাবে জড়িত হিসেবে দেখতেন। হযরত কা’ব এর সূত্রে ইবনে কুতায়বা বলেনঃ ‘ইসলাম, সরকার ও জনগণ হচ্ছে তাবু, দণ্ড, রজ্জু ও পেরেকের মত।

ইসলাম হচ্ছে তাবু, সরকার হচ্ছে তাবু ধারণকারী দণ্ড, আর জনগণ হচ্ছে রজ্জু ও পেরেক। ধর্মীয় জীবনবোধ ও সুষ্ঠু রাজনৈতিক চর্চার সবচেয়ে আদর্শিক সম্পৃক্ততার উদাহরণ হচ্ছেন শেষ নবী মুহাম্মদ (সা.), যাকে কুরআন সর্বোত্তম আদর্শ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। তিনি নামাজের ইমামতি করতেন, সৈন্যবাহিনী পরিচালনা করতেন, বিচারক হিসেবে কাজ করতেন এবং জননীতি নির্ধারণ করতেন। পৃথিবীর ইতিহাসে সর্বপ্রথম কোন রাষ্ট্রের লিখিত সংবিধানের রচয়িতাও তিনি। সেটা হল মদীনা সনদ। আজ সারাবিশ্বে গণতান্ত্রিক রাজনীতি চলছে, যদিও কিছু দেশে সমাজতান্ত্রিক, রাজতান্ত্রিক এবং ইসলামী প্রজাতান্ত্রিক শাসনও চলছে।

সব রাজনীতির মূলকথা হল সুশাসন, ন্যায়বিচার এবং আইনের শাসন তথা কল্যাণমূলক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা। কিন্তু এটা একটা বিতর্কের বিষয় যে, ইসলাম ছাড়া বাকি মতবাদগুলো কল্যাণমূলক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছে কিনা? ইতিহাস অবশ্য আমাদের বলে যে, কল্যাণমূলক শাসনব্যবস্থা একমাত্র ইসলামই আমাদের উপহার দিয়েছে। কারন, গণতন্ত্রের ধ্বজাধারী/সমাজতান্ত্রিক/রাজতান্ত্রিক অনেক দেশেই জনগণের ন্যূনতম মানবাধিকার প্রতিষ্ঠিত নেই।

অনেক দেশই বাক স্বাধীনতা, মানবিক, সামাজিক, ধর্মীয়, রাজনৈতিক, পারিবারিক, সাম্য, ন্যায়বিচার, সুশাসন ইত্যাদি থেকে বঞ্চিত। আপাত সভ্য মনে হলেও অনেক উন্নত দেশেও প্রয়োজনীয় নাগরিক সুযোগ সুবিধা থাকা সত্ত্বেও জনগণ ন্যায়বিচার পাচ্ছেনা, নারীরা যৌন নিপীড়নের শিকার, জীবনের প্রতি বিতৃষ্ণায় অনেকে আত্মহত্যার পথ বেছে নিচ্ছে, সামাজিক ও অর্থনৈতিক সুবিচার নিশ্চিত হচ্ছেনা, ধনী-গরীবের পার্থক্য বেড়েই চলছে। অথচ যুগে যুগে ইসলামী খিলাফতের অধীনেই মানুষ তার মানবিক, সাম্য, পারিবারিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক এবং আন্তর্জাতিক অধিকার, সুযোগ-সুবিধা এবং নিরাপত্তা সর্বোচ্চ পরিমানে ভোগ করেছে মুসলিম-অমুসলিম নির্বিশেষে।

জনগনের সার্বিক মুক্তি নিশ্চিত হয়েছে। জনগন পেয়েছে স্বাধীনতার প্রকৃত স্বাদ। গণতন্ত্রসহ অন্য রাজনৈতিক মতবাদগুলোর অসারতা ও ব্যর্থতা বর্তমান পৃথিবীর মানুষের সামনে স্পষ্ট। বিশেষ করে বাংলাদেশের মত উন্নয়নশীল দেশগুলোতে গণতন্ত্র যে একটি ব্যর্থ এবং অসার মতবাদ তা স্বাধীনতার গত ৭০ বছরে অনেকটাই স্পষ্ট। মূলত ন্যায়বিচার, সুশাসন এবং মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার মত নতুন প্রচারিত ব্যাপারগুলো এসব মতবাদের নিজস্ব আবিষ্কার নয়, বরং গত ১৪শ বছর ধরে মুসলিম বিশ্বে চর্চিত এবং প্রতিষ্ঠিত এসব ব্যাপারগুলো তাদের ইসলাম থেকেই ধার করা।

ইসলামী শাসনব্যবস্থার ব্যাপারে ভুল ধারনা আছে যে, ইসলাম তার বিধানগুলো জোরপূর্বক চাপিয়ে দিতে চায়, অপরাধের শাস্তির ক্ষেত্রে জুলুম করে এবং এটি অমুসলিমদের অধিকার খর্ব করে। প্রথমত, এটা একটা মিথ্যা অভিযোগ এই কারনে যে, দুনিয়ার তাবৎ শাসনব্যবস্থাই জোরপূর্বক চাপানো। গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র এবং রাজতন্ত্র সব ব্যবস্থায় বিভিন্ন বিধিবিধান, আইন তৈরী এবং তা জোরপূর্বক প্রয়োগের উদাহরণ আছে। উদ্দেশ্য হল, জনগণের কল্যাণ বা নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

কারন, সমাজে ভাল মানুষের চেয়ে খারাপের পরিমানই বেশি এবং সেজন্যই খারাপ মানুষদের দমন বা নির্মূলের জন্যই আইনের জোরপূর্বক বাস্তবায়ন জরুরি। তবে ইসলামী শাসনব্যবস্থা এবং এসব মতবাদের মধ্যে পার্থক্য হল ইসলাম জনগনের মানসিক, আত্মিক এবং বাস্তবিক প্রয়োজনকে ফার্স্ট প্রায়োরিটি দিয়ে প্রথমে ধীরে ধীরে শান্তিপূর্ণ এবং নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিতকরণে জোর দেয়। যেমন- ইসলামের বিজয়ের পর মুয়াবিয়া রা. যখন সিরিয়ার (শাম অঞ্চলের মূল কেন্দ্র) গভর্নর হলেন, তিনি সিরিয়ানদের চর্চিত রোমান ভাষাতেই প্রশাসনিক কাজকর্ম চালানোর হুকুম দিলেন যাতে জনগণ খুব সহজেই নতুন শাসনের সাথে ধীরে ধীরে খাপ খাইয়ে নিতে পারে।

যদিও এর কিছুদিন পর মুসলিমদের শাসনবিধি ও আখলাকে মুগ্ধ হয়ে লোকজন মুসলিম হওয়া শুরু করল এবং আরবী ভাষাকে প্রশাসনিক ভাষা করার দাবি জানাল। কারন, ততদিনে রোমান ভাষা তাদের কাছে অন্যায় এবং শোষনের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছিল। দ্বিতীয়ত, ইসলামের আরেকটি ভিন্নতা হল, ইসলাম অপরাধের কঠোর শাস্তির মাধ্যমে এর নির্মূলের দিকে নজর দেয়, তাই পরিপূর্ণ নিরাপত্তা এবং দীর্ঘমেয়াদী শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত হয়। অন্যদিকে, এসব মতবাদ অপরাধের দমনের দিকে নজর দেয়, তাই কিছুদিন পর আবার পূর্বাবস্থা ফিরে আসে।

তাছাড়া, আইনের অপপ্রয়োগ, স্বজনপ্রীতি এবং জবাবদিহিতার অভাব এসব শাসনব্যবস্থাকে পরোক্ষভাবে অপরাধীদের শাসনব্যবস্থায় রূপান্তরিত করে। তৃতীয়ত, ইসলাম অমুসলিমদের অধিকার খর্ব করে- এর জবাবের জন্য কয়েকটা উদাহরনই যথেষ্ট মনে করছি। নিকট অতীতে ইসলামী শাসনব্যবস্থার ব্যতিক্রমী উদাহরণ ছিলেন মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব, যিনি সংখ্যাগুরু হিন্দুপ্রধান ভারতবর্ষে ইসলামিক শাসনব্যবস্থা কায়েম করে এক অনুপম দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন এবং যিনি সম্রাট হয়েও তার সাদাসিধা জিন্দেগীর জন্য জিন্দাপীর নামে খ্যাত ছিলেন।

তিনি তার অমুসলিম হিন্দু প্রজাদের শুধু নিরাপত্তাই নিশ্চিত করেননি, অনেক জায়গায় হিন্দু প্রজাদের প্রয়োজনে মন্দির নির্মান করে দিয়েছিলেন যার ফলক আজো টিকে আছে ভারতে (শমেশ্বর মহাদেব মন্দির, আরাইল, এলাহাবাদ, উত্তর প্রদেশ) এবং একজন হিন্দু বৃদ্ধের ডাকে তার বাড়িতে উপস্থিত হয়ে তার মেয়েকে জোরপূর্বক বিয়ে কিরতে চাওয়া সম্রাটের এক সেনাপতির উপস্থিত শিরোচ্ছেদ করেছিলেন। শুধু তাই নয়, ইসলামের উৎসভূমি আরবে ১৪শ বছর ধরে বংশপরম্পরায় ১ কোটি চল্লিশ লাখ কপ্টিক অর্থোডক্স ক্রিশ্চিয়ান এখনো শান্তিতে বসবাস করছে তাদের রাষ্ট্রীয়, সামাজিক এবং পারিবারিক অধিকার সমুন্নত রেখে মর্যাদার সাথে। উদাহরণস্বরূপ, মিশরে কপ্টিকদের সংখ্যা এখনো প্রায় ১০-১৫%।

বর্তমান অসুস্থ এবং আদর্শহীন রাজনৈতিক পরিস্থিতির বিবেচনায় বীতশ্রদ্ধ হয়ে অনেকেই প্রচলিত রাজনীতির প্রতি অনাস্থা এবং অনাগ্রহ প্রকাশ করেন। তাদের উদ্দেশ্যেই প্রশ্ন, ভাল লাগে না বলে কি আমরা খাওয়া-দাওয়া ছেড়ে দেই, ঘুম ছেড়ে দেই, দৈনন্দিন কাজকর্ম অফ করে দেই? না, আমরা তা করিনা। কারন এগুলো করলে আমাদের জীবন অচল হয়ে যাবে। ঠিক তেমনি রাজনীতি না থাকলে দেশ অচল হয়ে যাবে, অনেকটা মগের মুল্লুক কায়েম হবে। বিদেশী এবং লুটেরাদের রাজত্ব কায়েম হবে। বর্তমান শাসনব্যবস্থা যেহেতু দুর্নীতি, ঘুষ, চুরি, ডাকাতি, অনিয়ম, অবিচার, জুলুম, নির্যাতন অর্থাৎ অপরাধের স্বর্গরাজ্য এবং কোন মতবাদই যেহেতু এসব অপরাধ নির্মূল করে সুশাসন এবং ন্যায়বিচার উপহার দিতে পারেনি, তাই আমাদের হাতে শুধুমাত্র ইসলামী শাসনব্যবস্থাই একমাত্র বিকল্প।

তাছাড়া, বর্তমান আধুনিক গণতান্ত্রিক পরিবেশে সরকার যেহেতু দলকেন্দ্রেক মানসিকতা নিয়ে ক্ষমতায় আসে এবং তারা যেকোন দেশবিরোধী, মানবতা/সভ্যতাবিরোধী, ইসলামবিরোধী কিংবা অপরাধী/বুর্জোয়াদের পক্ষে শাসন-শোষন-আইন প্রনয়নের ক্ষমতা রাখে, তাই তাদের এসব অন্যায়ের বিরুদ্ধে নিয়মতান্ত্রিক চাপ প্রয়োগ কিংবা প্রতিবাদ-প্রতিরোধ-প্রতিহতের উদ্দেশ্যেও আমাদের সামনে ইসলামী রাজনীতির কোন বিকল্প নেই। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা রাজনীতিক থমাস পেইন এই সম্পর্কে বলেন- “একজন সত্যিকারের দেশপ্রেমিকের দায়িত্ব হল সরকারের সিদ্ধান্ত (অন্যায়) থেকে দেশকে বাঁচানো।” ইতিহাসের গৌরবজনক ইসলামী খিলাফত ভিত্তিক কল্যাণমূলক এই শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্যই আমরা ইসলামী রাজনীতি করি বা করতে চাই।

আর যেহেতু রাজনীতির উদ্দেশ্য দেশের মানুষের সেবা করা, তাই আমরা ইসলামী রাজনীতি করি ইবাদত হিসেবে। তাছাড়া, এটা একটা স্বতঃসিদ্ধ ব্যাপার যে, ইসলাম হল সব ভাল বিষয়ের সমষ্টি এবং এর রাষ্ট্রনীতির চেয়ে শ্রেষ্ঠ কোন রাষ্ট্রনীতি নেই যার মাধ্যমে পরিপূর্ণ ন্যায়বিচার, সুশাসন ও ভাল বিষয়গুলো সমাজে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে। আর এই ন্যায়বিচার, সুশাসন এবং মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাটাকেই ইসলাম নাম দিয়েছে জিহাদ। জিহাদ কিয়ামত পর্যন্ত সর্বযুগেই ফরয। কুরআনে ঈমানের পর সবচেয়ে বেশী আয়াত জিহাদের। তাৎপর্য হল, জিহাদের মাধ্যমে সমাজে ভাল প্রতিষ্ঠিত হয়, ভাল মানুষগুলো ভাল থাকতে পারে আর খারাপ ব্যক্তি এবং বিষয়গুলো নির্মূল হয়।

জিহাদের এই চেষ্টাকে আমি তুলনা করি একটি দুর্নীতির পরিবেশে একজন সত্যিকার সৎ ব্যক্তির সৎ থাকার আকুল প্রচেষ্টার সাথে যদিও সে আল্টিমেটলি সৎ থাকতে পারে না। কারন সমাজ ও রাষ্ট্রে সততার আদর্শ প্রতিষ্ঠিত নেই বলে। ঠিক তেমনি বলে প্রচলিত রাজনীতি কলুষিত হয়ে গেছে বলে সততার রাজনীতি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা থেকে দূরে থেকে আমি যেমনি সৎ থাকতে পারবো না দুনিয়াতে, তেমনি আখেরাতেও মুক্তি অর্জন করতে ব্যর্থ হব। সর্বশেষ কথা হল, সত্য কথা বলার মত যেমনি সৎ সাহস থাকা উচিত প্রত্যেকটি মানুষের, তেমনি সত্য নীতিগুলো সমাজে প্রতিষ্ঠিত করার মত কার্যকরী ও আন্তরিকতাপূর্ণ প্রচেষ্টা থাকা উচিত। এবং তাহলেই কেবল মানুষ হিসেবে যেমন মনুষত্ব্যের দাবি আদায় সম্ভব, তেমনি মুসলিম হিসেবে কিয়ামতের দিন আল্লাহর সামনে তার আনুগত্যের দাবি আদায় সম্ভব।

বর্তমান সময়ে বাংলাদেশে ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন/ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ (পরিবর্তিত নাম) অন্যতম প্রধান দল যারা বাংলাদেশের মাটি ও মানুষকে বুকে ধারণ করে, ইসলামী নীতি-আদর্শ লালন করে এবং এর উপর অটল ও মজবুত থেকে একটি আদর্শিক, জনকল্যাণমূলক, গণমুখী এবং টেকসই শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার নিমিত্তে গণবিপ্লবের লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে দেশের মানুষের সেবায়, মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনায় এবং মানবতার স্বার্থে ইসলামী রাজনৈতিক প্রচেষ্টায় অংশগ্রহণ করার তওফীক দান করুন।

956Shares