| |

দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব টিকিয়ে রাখতে উলামায়ে কেরামের বিকল্প নেই- শেখ ফজলে বারী মাসউদ

প্রকাশিতঃ ৮:১৭ অপরাহ্ণ | ডিসেম্বর ১৬, ২০১৭

নিজস্ব সংবাদদাতা: এদেশের স্বাধীনতার গোড়া পত্ত্বন করেছিলেন উলামায়ে কিরাম। উলামায়ে কিরামগণই ভারত উপমহাদেশ থেকে ইংরেজদের তাড়িয়ে ছিলেন। তাদের সেই ধারাবাহিকতায় ১৯৫২ সালে এসেছে ভাষা আন্দোলনে বিজয়। ১৯৭১ সালে এসেছে স্বাধীনতা আন্দোলনে বিজয়। কিন্তু বিজয় দিবস উৎযাপন, আলোচনা সভা ও অন্যান্য প্রোগ্রামে কতিপয় জ্ঞানপাপিরা পরিকল্পিত ও সুচতুরভাবে স্বাধীনতার স্থপতি উলামায়ে কিরামকে পাশ কাটিয়ে যায়। যাদের কারণে দেশের স্বাধীনতা, তাদেরকেই অস্বীকার করে। নাটক, সিনেমা, টেলি ফিল্ম ইত্যাদিতে প্রচার করা হয় পাঞ্জাবী টুপি দাড়িওলাদের রাজাকার, আল বদর, আশ্ শামস অভিধায়। প্রমাণ করতে চায় এরা স্বাধীনতার বিরোধী, এরা স্বধীনতার বিপক্ষ শক্তি। এরা সাম্প্রদায়িক। আর স্বাধীনতার চেতনা ছিল অসাম্প্রদায়িক! আসলে এগুলো হলো স্বাধীনতার চেতনাকে পুঁজি করা কিছু সুবিধাভোগীদের কাজ। এ কাজ না করলে যে তারা অন্নাভাবে মারা যাবে। তারাই স্বাধীনতার স্বপ্ন-সাধকে ধূলিষ্যৎ করে নিজেদের আখের গোছাতে ব্যস্ত। এই সুবিধাভোগীরাই স্বাধীনতাকে অন্যদের কাছে ইজারা দিয়েছে, বিক্রি করেছে। এরা স্বাধীনতার শত্রু, মানবতার দুশমন। তাদের এই আস্ফালন আর বরদাশত করা হবে না।
আজ আমরা বিজয়ের এই দিনে দীপ্ত কণ্ঠে বলতে চাই দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, মানবতা ও সমৃদ্ধিকে টিকিয়ে রাখতে হলে উলামায়ে কিরামের বিকল্প নেই। উলামায়ে কিরাম হলেন জাতির অতন্ত্র প্রহরী। তারাই দেশের বিরুদ্ধে, মানবতার বিরুদ্ধে, মানুষের বিরুদ্ধে যখন যে আগ্রাসন এসেছে সর্বাগ্রে নিজেরা মুকাবেলা করেছে এবং সকল জনতাকে জাগ্রত করেছে।
আজ ১৬ ডিসেম্বর’১৭ ইং দুপুর ৩ টায় রাজধানির ভাটারাস্থ জামিয়া সাঈদিয়া কারীমিয়ার মিলনায়তনে জামিয়ার সাংস্কৃতিক সংঘ ‘আন-নাদী আস-সাক্বাফী আল-ইসলামী’ কর্তৃক আয়োজিত ‘মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বীর শহীদদের স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠান’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামিয়ার প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ উপর্যুক্ত কথা বলেন।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সাংস্কৃতিক সংঘের পরিচালক মাওলানা রাকিবুল ইসলাম, মুফতী মাছউদুর রহমান, মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস, মাওলানা উবাইদুল্লাহ বিন আব্দুর রশীদ প্রমুখ। অনুষ্ঠান শেষে বিভিন্ন বিষয়ে প্রতিযোগীতায় বিজয়ীদের হাতে পুরুস্কার তুলে দেয়া হয়।

559Shares