| |

সঙ্কট উত্তরণে সরকারকেই উদ্যোগ নিতে হবে : প্রিন্সিপাল মাদানী

প্রকাশিতঃ ৯:৩৫ পূর্বাহ্ণ | সেপ্টেম্বর ১০, ২০১৮

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যক্ষ সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল-মাদানী বলেছেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে চলমান সঙ্কটের শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য ক্ষমতাসীন সরকারকেই উদ্যোগ নিতে হবে। একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পরিবেশ তৈরীর জন্যে সব রাজনৈতিক দলের সাথে সম্মানজনক আলাপ-আলোচনা চালিয়ে যেতে হবে। সবাইকে একগুয়েমী পরিহার করে সমাধানের পথ খুঁজতে হবে।

প্রিন্সিপাল মাদানী আরও বলেন, সুষ্ঠু সমাধানের পথ বের করতে না পারলে সংঘাত অনিবার্য হয়ে যাবে। সকলেরই উচিত যে কোন ধরণের সংঘাত ও সহিংসতা পরিহার করে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া। এজন্য ক্ষমতাসীনদেরকেই বেশি দায়িত্ব নিতে হবে।

রবিবার (৯ সেপ্টেম্বর’১৮) বিকেলে পুরানা পল্টনস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মজলিসে আমেলার এক সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- রাজনৈতিক উপদেষ্টা অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, সহকারি মহাসচিব আলহাজ্ব আমিনুল ইসলাম, দক্ষিণ সভাপতি মাওলানা ইমতিয়াজ আলম, উত্তর সভাপতি অধ্যক্ষ শেখ ফজলে বারী মাসউদ, প্রকৌশলী আশরাফুল আলম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কেএম আতিকুর রহমান, প্রচার সম্পাদক মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম, মুফতী হেমায়েতুল্লাহ, আলহাজ¦ হারুন অর রশিদ, মাওলানা লোকমান হোসাইন জাফরী, মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম, মুহা. বরকতউল্লাহ লতিফ, আলহাজ্ব নাজিম উদ্দিন, মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাকী, এডভোকেট একেএম এরফান খান প্রমুখ।

নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশ ক্রমেই অস্থিরতার দিকে ধাবিত হচ্ছে। সরকার ও দেশের জনগণ মুখোমুখি অবস্থা। সরকারের প্রতি জনগণের কোন আস্থা নেই। অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমেই এই অস্থিরতা দূর হয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হতে পারে। ৫ জানুয়ারি নির্বাচনের পর বলা হয়েছিল কিছুদিন পর সবার অংশগ্রহণে আরেকটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন দেওয়া হবে। কিন্তু চার বছরেও তা দেওয়া হয়নি। জনগণকে দেওয়া কথা রাখেনি ক্ষমতাসীনরা। নির্বাচন না দিয়ে পুরো সময়টাই পার করে নিয়ে নিল সরকার। তিনি বলেন, এটা কোন ধরনের গণতন্ত্র? সরকার সংবিধানের মূল কাঠামো থেকে সরে যাচ্ছে। এখন ন্যায়বিচার পাওয়াই মুশকিল। উচ্চ ও নিম্ন আদালতের দিকে তাকালে দেখা যায় আইনের শাসনের কত অভাব। সরকারি দলের জন্য এক ধরনের আইন আর সাধারণ মানুষের জন্য আরেক ধরনের আইন। নূ্যূনতম সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য নির্বাচনকালীন সরকার হবে কিনা তা নিয়েও প্রশ্ন আছে।

550Shares