| |

জাতীয় মহাসমাবেশে আগতদের জন্য করণীয়

প্রকাশিতঃ ১০:১৮ পূর্বাহ্ণ | অক্টোবর ০৪, ২০১৮

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আহুত জাতীয় মহাসমাবেশ আগামী ৫ ই অক্টোবর শুক্রবার ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ইনশাআল্লাহ।

অন্যান্য মহাসমাবেশের চেয়ে এই মহাসমাবেশ গুরুত্বপূর্ণ হওয়ার অন্যতম কারণ হলো সামনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। যেহেতু ২০১৪ সালের একতরফা বিতর্কিত নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ অংশগ্রহণ করেনি সুতরাং একাদশ জাতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে বর্তমান পরিস্থিতি এবং সামনের পরিস্থিতিতে আমাদের কি করণীয় হবে তার একটি ম‍্যাসেজ দেশ ও জাতির সামনে হয়ত পেশ করা হবে। সাথে সাথে বিগত ১০ বছরের সরকারের শাসনামলে তাদের সাফল্য ও ব্যর্থতা মূল্যায়ন, দেশ ও জনগণের প্রতি অন্যায়-অবিচার, জুলুম-নির্যাতন, দুর্গতির পরিসংখ্যান এবং এসব ক্ষেত্রে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের পর্যবেক্ষণ ও করণীয় হয়ত তুলে ধরা হবে। সুতরাং সার্বিক বিবেচনায় ৫ তারিখের মহাসমাবেশ দেশ ও জাতির জন্য একটি ঐতিহাসিক মহাসমাবেশ হবে ইনশাআল্লাহ।

দীর্ঘ দাওয়াতি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মহাসমাবেশে ব্যাপক জনসমাগম হবে আশা করি। নতুন পুরাতনদের আগ্রহের মূল কেন্দ্রবিন্দু হবে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যান। সুতরাং সারাদেশ থেকে আসার ক্ষেত্রে অবশ্যই বেশ কিছু বিষয় আমাদেরকে খেয়াল রাখতে হবে।

১. আমরা যে অঞ্চল থেকেই আসি না কেন অবশ্যই প্রত্যেক টিমের মূল জিম্মাদার নির্ধারণ করতে হবে।

২. এক বাসের সাথে আরেক বাসের যোগাযোগের সুবিধার্থে বাস ভিত্তিক একেক জনকে জিম্মাদার দিতে হবে।

৩. জিম্মাদার এর নাম্বার সকলের কাছে দিয়ে দিতে হবে

৪. রাস্তায় আসা যাওয়ার পথে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়িয়ে যেতে হবে।

৫ . নতুন সাথীদেরকে দলবদ্ধ বা সাথে রাখার চেষ্টা করতে হবে।

৬. সাথে অবশ্যই পানি, শুকনা খাবার, জায়নামাজ ও হালকা কাপড় রাখতে হবে।

৭. টাকা-পয়সা, মোবাইল ও অন্যান্য মূল্যবান জিনিস খুব সাবধানে রাখতে হবে।

৮. ঢাকায় ছিনতাইকারীদের প্রচুর বিচরণ সে ক্ষেত্রে মোবাইলে কথা বলার ক্ষেত্রে খুব সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।

৯. কোন অবস্থাতেই গুজবে কান দেওয়া যাবে না।

১০. গাড়ির সামনে পিছনে সাইডে ব্যানার/ পোস্টার লাগাতে হবে যাতে করে রাস্তা দিয়ে আসার সময়ও দাওয়াতী কাজ হয়ে যায়।

১১. যেকোনো ধরনের সহযোগিতার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত স্বেচ্ছাসেবক ও উর্ধ্বতন দায়িত্বশীলদের সাথে যোগাযোগ রাখতে হবে।

১২. আমরা প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল ও স্বেচ্ছাসেবক, এই চিন্তা মাথায় রেখে পাশের জনের প্রতি সর্বদা খেয়াল রাখতে হবে।

জি.এম. রুহুল আমীন

সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি, ইশা ছাত্র অান্দোলন। বর্তমান কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (প্রবাসী), ইসলামী যুব আন্দোলন।

 

171Shares