| |

ঢাকা সিটি উত্তর উপ-নির্বাচনে আটঘাট বেঁধে নেমেছে ইসলামী আন্দোলন

প্রকাশিতঃ ৬:০৩ অপরাহ্ণ | জানুয়ারি ০৮, ২০১৮

বিশেষ প্রতিবেদক: আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশেনের উপ নির্বাচন। ডিএনসিসি মেয়র আনিসুল হকের মৃত্যুতে গত ৮ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশনের বৈঠকে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। ৯ জানুয়ারি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। এদিকে দেশের প্রধান দুই রাজনৈদিক দল আওয়ামীলীগ ও বিএনপি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী ঘোাষণা করেনি। জানা যায়, আওয়ামীলীগ তৃণমুল পর্যায়ে জরিপের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করে প্রার্থী চূড়ান্ত করবে। যদিও আওয়ামীলীগের পক্ষে ব্যবসায়ী নেতা আতিকুল ইসলাম সবুজ সংকেত পেয়েছেন দল থেকে এবং তিনি এলাকায় কাজও করছেন। আওয়ামীলীগের দিকে তাকিয়ে আছে বিএনপি। তাদের প্রার্থী ঘোষণার পরেই প্রার্থী নির্বাচন করবে বিএনপি। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দের বক্তব্য থেকে এমনটি জানা যায়। তবে বিএনপি গেলবারের প্রার্থী তাবিথ আউয়ালকেই মনোনয়ন দেবে বলে প্রথমিকভাবে জানা গেছে।

দেশের দুই প্রধান রাজনৈতিক দল প্রার্থী ঘোষণা না করলেও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী ঘোষণা করেছে অন্যতম ইসলামী দল, চরমোনাই পীর নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। দলের পক্ষ থেকে একক প্রার্থী হিসেবে ইতোমধ্যেই ব্যাপক প্রচারণাও শুরু করেছেন। দিনরাত পরিশ্রম করছেন এলাকায়। সরেজমিনে দেখা যায় দলের প্রার্থী ফজলে বারী মাসউদ ঘুরে ঘুরে এলাকায় প্রচারণা করছেন। এছাড়াও দলের পক্ষ হতে প্রচারণা সেল গঠন করা হয়েছে বলে যায়। ইতি মধ্যে স্যোসাল মিডিয়াতে ইভেন্ট, প্রোফাইল ক্যাম্পেইন ও ডিজিটাল পোস্টার প্রচারণা চোখে পড়ার মত। এছাড়াও প্রার্থীর নিজস্ব  ফেইসবুক আইডি: https://www.facebook.com/fazlaybarimasud1

গত ২৭ ডিসেম্বর ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতি সৈয়দ রেজাউল করীম আনুষ্ঠানিকভাবে দলের কেন্দ্রীয় সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদকে প্রার্থী ঘোষণা করেন।

শেখ ফজলে বারী মাসউদ ২০১৫ সালের ৪ এপ্রিল অনুষ্ঠেয় বিভক্ত ঢাকার প্রথম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনেও দলের পক্ষ থেকে নির্বাচনে অংশ করেছিলেন। সে সময় তিনি কমলালেবু প্রতীকে ১৮০৫০ ভোট পেয়ে তৃতীয় অবস্থানে ছিলেন। উল্লেখ যে, গত নির্বাচনগুলোতে চরমোনাই পীরের ভাল অবস্থান লক্ষ করা গেছে। সদ্যশেষ হওয়া রংপুর নির্বাচনে ২৪০০৬ ভোট পেয়ে আরো ব্যাপক আলোচনায় আসে দলটি। এছাড়াও বিগত সকল সিটি নির্বাচনে তৃতীয় অবস্থান ছিল তাদের।

অন্য দিকে বিএনপির জন্য সামনে কঠিন সমিকরণ। একদিকে জামায়াতের প্রার্থী দেবার সম্ভবনা রয়েছে। জামায়াতের অফিসিয়াল পেইজে মুহাম্মদ সেলিম নামে জামায়েতের কর্মীর মেয়র প্রার্থী হিসেবে প্রচারণা চালানো হচ্ছে। এছাড়াও বিএনপি জোট থেকে বেড়িয়ে আসা ইসলামী ঐক্যজোট নামে একটি দলে থেকেও প্রার্থী ঘোষণা হয়েছে। এভাবে যদি বিএনপির জোট শরীক দলের প্রার্থী থাকে তবে বিএনপির সিটি উপনির্বাচনে কঠিন সমিকরণ অপেক্ষা করছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

4358Shares