| |

রাজনীতির রুগ্ন ময়দানে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আলোকবর্তিকা

প্রকাশিতঃ ১০:৫৩ পূর্বাহ্ণ | মে ০১, ২০১৮

islam

শাহনূর শাহীন

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। একটি ধর্ম ভিত্তিক রাজনৈতিক দল। দলটি বাংলাদেশের রাজনীতিতে ইসলামী রাজনীতির ক্ষীণকায় পরিমন্ডলে আশার আলো হয়ে ফুটে উঠেছে। ১৯৮৭ সালের ১৩ই মার্চ পল্টনে এক সমাবেশের মাধ্যমে দলটির আত্মপ্রকাশ ঘটে। দক্ষ নেতৃত্ব, সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা ও সুশৃঙ্খল কর্মী বাহিনী নিয়ে দলটির ক্রমবর্ধমান অগ্রগতিতে সাধারণ জনগণের মাঝে ইতোমধ্যে ব্যাপক আগ্রহ-উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে।

প্রতিষ্ঠাকালীন দলটির নেতৃত্বে ছিলেন চরমোনাই এর মরহুম পীর সাহেব মাওলানা সৈয়দ মোহাম্মদ ফজলুল করীম রহ.। ২০০৬ সালে ফজলুল করীম রহ. এর মৃত্যুর পর দলটির নেতৃত্বে আসেন মরহুম পীর সাহেবের সাহেবজাদা মুফতি সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল করীম দা:বা:। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই দলটি দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ইসলাম ও মুসলামনের মর্যাদা রক্ষা ও ইসলামী হুকুমত প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে। ইসলাম বিরোধী নারী নীতি, শিক্ষা নীতি থেকে শুরু করে তসলিমা খেদাও আন্দোলন, কাদিয়ানী বিরোধী আন্দোলন, নারায়ণগঞ্জে ভন্ড দেওয়ানবাগী হটাও আন্দোলন, ফতোয়া বিরোধী রায়, টিপাইমুখ বাঁধ, রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের প্রতিবাদ সহ বিভিন্ন সময়ে আন্দোলন সংগ্রামে দলটির সরব উপস্থিতি রুগ্ন রাজনীতির হতাশার ময়দানে আলোর সঞ্চার করেছে।

২০০৯ সালের ডিসেম্বরে টিপাইমুখ অভিমুখে লংমার্চের মাধ্যমে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশে রাজনৈতিক ময়দানে নিজেদের জনশক্তির জানান দেয়। সে সময়ের ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণ কার্যক্রম স্থগিতের ঘোষণায় ইসলামী আন্দোলনের লংমার্চ কর্মসূচি ব্যাপক প্রভাব রেখেছে বলে রাজনৈতিক বোদ্ধামহল ও সচেতন নাগরিকদের অভিমত।

২০১১ সালে ফতোয়া বিরোধী রায়ের চুড়ান্ত শুনানির আগে দলটি ধারাবাহিক আন্দোলন কর্মসূচি পালন করে। বিক্ষোভ মিছিল, মানববন্ধন, সমাবেশ, প্রধান বিচারপতির কাছে স্মারকলিপি পেশ ছিল উল্লেখযোগ্য। ১১’ সালের পহেলা মে ইসলামী আন্দোলনের সহযোগী সংগঠন ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে আলোচনা সভায় নারীনীতি, শিক্ষানীতি ও ফতোয়া বিরোধী রায়ের প্রতিবাদ করায় পুলিশের অতর্কিত হামলায় ইসলামী আন্দোলনের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানীর দুই পা ভেঙে যায়।

 

২০১২ সালে আন্তঃধর্মীয় বিবাহ আইন বাতিলের দাবিতে আন্দোলন সংগ্রামে অসামান্য অবদান রাখে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। সর্বশেষ ২০১৬ সালে ইসলাম বিরোধী শিক্ষানীতি বাস্তবায়নের কৌশল হিসেবে পাঠ্যপুস্তকে ইসলাম বিদ্ধেষী লেখকদের ধর্ম বিদ্ধেষী লেখা অন্তর্ভুক্ত এবং বিশ্বনবী সা. এর জীবনী বাদ দেয়া সহ বিভিন্ন মুসলিম লেখকদের গল্প, কবিতা বাদ দেয়ার প্রতিবাদে ধারাবাহিক আন্দোলনে সফলতা লাভ করে। পাঠ্যপুস্তক সংশোধনের দাবিতে ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে দলটি ১৬’র ২৭ মে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় মহা সমাবেশের আয়োজন করে। ফলশ্রুতিতে ২০১৭ সালের শুরুতে বিতরণ করা নতুন পাঠ্যপুস্তকে সরকার ব্যাপক পরিবর্তন এনে বিতর্কিত লেখা বাদ দিতে বাধ্য হয়। এজন্য দলের নেতৃবৃন্দ সরকারকে ধন্যবাদও জানায়।

১৯৯১ সালে ইসলামী ঐক্যজোটে যোগ দেয় তখনখার ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন। ২০০১ সালের জাতীয় নির্বাচনে চার দলীয় জোটে অংশগ্রহণে নারী নেতৃত্বের প্রশ্নে ঐক্যজোট ত্যাগ করে দলটি। ২০০৮ সালে নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নামে নিবন্ধিত হয়ে এককভাবে জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে। নির্বাচনে কোনো সংসদীয় আসন না পেলেও ভোটের হিসেবে মোট ভোটের ০.৯৪ ভাগ ভোট লাভ করে। যা দলীয় হিসেবে পঞ্চম।

২০১৫ সালের ৪ এপ্রিল অনুষ্ঠেয় বিভক্ত ঢাকা সিটির প্রথম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে উত্তর সিটিতে অধক্ষ শেখ ফজলে বারী মাসউদ দলের হয়ে কমলালেবু প্রতীকে ১৮০৫০ ভোট পেয়ে তৃতীয় হয়েছিলেন। অন্যদিকে ঢাকা দক্ষিণে ফ্লাক্স প্রতিকে ১৪ হাজার ৭৮৪ ভোট পেয়ে তৃতীয় হন ইসলামী আন্দোলনের নগর নেতা আলহাজ্ব আবদুর রহমান।

২০১৬ সালের ইউপি নির্বাচনে আওয়ামীলীগের দূর্গ খ্যাত লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার কমলাবাড়ী ইউনিয়নে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী আলা উদ্দিন আলাল হাতপাখা প্রতিকে জয়লাভ করে। এনটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয় বিজয়ী চেয়ারম্যান আলা উদ্দিন এর আগে নির্বাচিত ইউপি সদস্য ছিলেন। ইউপি সদস্য থাকাকালীন নিজের কাঁধে করে, মাথায় করে বন্যার্ত মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ত্রান পৌঁছে দিয়েছিলেন। এটা ছিলো তার বিজয়ের অন্যতম একটি কারণ। দ্বিতীয় কারণ চরমোনাই এর পীর সাহেবের উল্লেখ্যযোগ্য ভক্ত মুরিদান এবং তৃতীয় কারণ ছিলো সাবেক চেয়ারম্যানের দূর্নীতিতে জনগণের অসন্তুষ্টি। এছাড়াও লক্ষীপুরের কমলনগর এবং বরগুনা সহ বিভিন্ন জেলায় বেশ কয়েকটি ইউনিয়নে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরা হাতপাখা প্রতিকে জয়লাভ করে। গত উপজেলা নির্বাচনেও বিভিন্ন উপজেলায় নির্বাচনী লড়াইয়ে শক্তি সামর্থের জানান দেয় দলটি।

২০১৭ সালের ডিসেম্বরে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনেও আওয়ামী লীগ ও বিএনপির বাইরে সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়ে তৃতীয় স্থান লাভ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। দলীয় প্রার্থী মুফতি মাছুম বিল্লাহ হাতপাখা প্রতীকে প্রতিদ্বন্ধিতা করে পেয়েছিলেন ১৩ হাজার ৯১৪ ভোট। সর্বশেষ গত রংপুর সিটি নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলনের মেয়র প্রার্থী এটিএম গোলাম মোস্তফা পেয়েছেন ২৪ হাজার ছয় ভোট। যা দেশের প্রধান বিরোধী দল বিএনপির প্রায় সমান। রংপুর সিটি নির্বাচনের পর বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ৭১ টিভি একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রতিবেদনে ইসলামী আন্দোলনের দলীয় আদর্শ, কর্ম পদ্ধতি, প্রচার-প্রসার ও অগ্রগতি নিয়ে আলোকপাত করা হয়। এতে করে সারাদেশে তৃণমূল পর্যায়ের কর্মীদের মাঝে ব্যাপক কর্মচঞ্চলতা সৃষ্টি হয়। টেলিভিশনের একটি প্রতিবেদন যে রাতারাতি ইসলামী আন্দোলনকে আলোচনায় নিয়ে এসেছে তা নয়। মূলত বাংলাদেশের মূলধারার প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়াগুলো সাধারণত ইসলামী রাজনৈতিক দলগুলোর কর্মকা-ের কভারেজ কম দেয়। কেননা অধিকাংশ মিডিয়া হাউজগুলো কোনো না কোনোভাবে বাম বা ইসলাম বিদ্ধেষী শক্তিগুলো নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। সেই পরিস্থিতিতে এতোটা গুরুত্ব দিয়ে রংপুরের নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলনের অগ্রযাত্রাকে মূল্যায়ন করবে এবং সারাদেশে দলের সামগ্রিক অগ্রগতি পর্যালোচনা করবে এটা ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদের জন্য আশাব্যাঞ্জকই। দেশের সাধারণ মানুষও বিষয়টা ইতিবাচকভাবেই নিয়েছে।

রাজধানীতে আওয়ামী লীগ বিএনপির চেয়ে বৃহত জনশক্তির উপস্থিতি নিয়ে প্রতিবছর বিভিন্ন ইস্যুতে মিছিল, মিটিং, সভা-সমাবেশ জাতীয় মহাসমাবেশ করলেও মিডিয়াতে গুরুত্বের সাথে কভারেজ পায় না। অন্যদিকে কোনো ছোটো-খাটো বাম সংগঠন শুধুমাত্র ৮/১০ জন লোক নিয়েও কোনো মানববন্ধন করলে পরেরদিন পত্রিকায় বড় করে তার ছবি ছাপা হয়। বড় বড় হেডলাইন দিয়ে নিউজ হয়। টেলিভিশনগুলো ক্যামেরা নিয়ে বসে থাকে কভারেজ করার জন্য। অন্যদিকে ইসলামী দলগুলোর বড় বড় প্রোগ্রামগুলোও তেমন কভারেজ পায় না। ব্যক্তিগত আলাপচারিতায় দেশের পরিচিত এবং শীর্ষস্থানীয় এক বুদ্ধিজীবি শিক্ষানীতি নিয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ইসলামী আন্দোলনের সমাবেশে কর্মী, সমর্থক ও সাধারণ জনগণের উপস্থিতি দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেছিলেন। তখন বলেছিলাম মিডিয়া এসব দেখেও না দেখার ভান করে। দলের কর্মী সমর্থকরা অনেক সময় মনে করেন তাদের এতো বিশাল জনসমর্থন হয়তো কেউ জানে না। বাস্তবতা হলো মিডিয়া এসব প্রচার না করলেও খোঁজ খবর ঠিকই রাখে। তারা জানে দেশের খেটে খাওয়া শান্তি প্রিয় মানুষ ওলামায়ে কেরামকে এখনো নিজেদের আস্থার আসনে সর্বোচ্চ স্থান দেয়। আলেমেদের প্রতিনিধিত্ব তারা সাদরে গ্রহণ করার জন্য উন্মুখ হয়ে আছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আলেমদের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে দেশের বৃহত জনগোষ্ঠীর কাছে নিজেদের দাওয়াত পৌঁছাতে পেরেছে। তৃণমূল পর্যায়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মীরা পীর সাহেবের হাতে হাত দিয়ে ইসলামী আন্দোলনে যোগ দিচ্ছেন। সারাদেশের ওয়াজ মাহফিল ও সভা সেমিনারে এমন দৃশ্য প্রায়ই দেখা যায়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দলীয় কর্মীদের টাইমলাইন ছাড়িয়ে সেগুলো ছড়িয়ে পড়ছে দেশ বিদেশে মুহুর্তের মধ্যে।

রংপুর সিটি করর্পোরেশন নির্বাচনের পর ৭১ টেলিভিশনের প্রতিবেদন কিছু ঘুমন্ত বুদ্ধি বিক্রেতাদের ঘুম ভাঙিয়ে দেয়। তারা এটাকে পায়ের আওয়াজ পাওয়ার সাথে তুলনা করে। মৌলবাদীদের পায়ের আওয়াজ শোনা যায় বলে তিরস্কার করে। একটা মজলিসে ১০ জন লোক বিদ্যমান। সেখানে কোনো বিষয়ে দু’জন ব্যক্তি দু’রকম মতামত পেশ করলো। তখন দু’জন বাদে বাকী ৮ জনের ৫ জন একজনকে সমর্থন করলো, দু’জন অন্যজনকে সমর্থন করলো। অন্যদিকে একজন নিরপেক্ষতার দাবি করে বুদ্ধিজীবির মতো বুদ্ধিভিত্তিক পর্যালোচনা করলো। বুদ্ধিজীবি ব্যক্তি তার পর্যালোচনায় সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতকে সমর্থন না করে বরং তিরস্কার করলো। সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতকে উপেক্ষা করে পরোক্ষভাবে সে পাঁচ জনের বিপরীতে দু’জন ব্যক্তি যাকে সমর্থন করেছে তাকে সমর্থন জানালো। এমন পরিস্থিতিতে বুঝতে হবে তার বুদ্ধিতে গ-গোল আছে। কারণ যে ব্যক্তি সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতকে শ্রদ্ধা জানাতে পারে না। সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের পক্ষে না থেকে বরং উল্টা তিরস্কার করে, বুঝতে হবে তার বুদ্ধিতে ভেজাল আছে। সে আসলে বুদ্ধিজীবি নয় বরং বুদ্ধিবিক্রেতা।

বাংলাদেশের মেজরিটি পার্সেন্ট মানুষ শান্তিপ্রিয়। তারা শান্তি চায়, সহাবস্থান চায়। উগ্রতা এদেশের মানুষ পছন্দ করে না। কিন্তু বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে অনেকটা বাধ্য হয়ে এক ডাকাতকে ঠেকাতে আরেক ডাকাতকে সমর্থন দিতে হচ্ছে। এক জুলুমবাজের জুলুমে পিষ্ট হয়ে, দূর্নীবাজের দূর্নীতিতে অতিষ্ট হয়ে আরেক জুলুমবাজ, দূর্নীতিবাজকে ক্ষমতায় বসাতে হচ্ছে বা হয়েছে বারবার। কিন্তু সময় পাল্টেছে। মানুষ এখন সত, আদর্শ এবং চরিত্রবান নেতৃত্বে আস্থার ঠিকানা খুঁজে নিচ্ছে। শান্তিপ্রিয় মানুষকে সেই ঠিকানায় পৌঁছে দিচ্ছে ইসলামী আান্দোলন বাংলাদেশ। সুতরাং এ কথা নিদ্বিধায় বলা যায়, বাংলাদেশের রাজনীতির রুগ্ন ময়দানে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আলোকবর্তিকা হয়েই সামনে এগোচ্ছে। এই অগ্রসরমান গতিধারা অব্যহত রাখতে দেশপ্রেমিক, সচেতন ও ধর্মভিরু সকল নাগরিককেই সচেষ্ট হতে হবে। মুদ্রার এপিঠ ওপিঠের পরিবর্তে নতুন পিঠ দেখতে হলে এখন আর নুতন করে ভাবতে হবে না। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মানুষের মনে সেই নির্ভরতার বার্তা পৌঁছে দিতে পেরেছে।

আগামীর বাংলাদেশ হবে ইসলামী আন্দোলনের বাংলাদেশ। নতুুনের প্রত্যাশায় আগামীর ভোরে দেশের শান্তি প্রিয় মানুষগুলো ইসলামী আন্দোলনের পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে শোষণমুক্ত নতুন বাংলাদেশ গড়ার দীপ্ত শপথ নিবে। সাম্প্রতিক সময়ে সারাদেশে দলের আমীর চরমোনাই এর পীর মুফতি সৈয়দ রেজাউল করীম দাঃবাঃ এবং মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করীম দাঃবাঃ এর ওয়াজ মাহফিল, ইসলামী সম্মেলনে সর্বশ্রেণীর জনতার ঢল এবং বিভিন্ন সভা সমাবেশে স্বতস্ফুর্ত অংশগ্রহণ দেশের রাজনীতির মাঠে ইতিবাচক পরিবর্তনের সেই ইঙ্গিতই দিচ্ছে।

জয় হোক জনতার, জয় হোক ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের।

//কবি ও সাংবাদিক

4141Shares