| |

অবিলম্বে এ্যাড. আমেল চৌধুরীকে নিঃশর্ত মুক্তি না দিলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে: ইসলামী আইনজীবী পরিষদ

প্রকাশিতঃ ৮:৫৬ অপরাহ্ণ | এপ্রিল ৩০, ২০১৭

স্টাফ রিপোর্টার : ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নাটোর জেলা সভাপতি ও নাটোর বারের নির্বাচিত সাবেক সহ-সভাপতি এবং বাংলাদেশ ইসলামী আইনজীবী পরিষদের কেন্দ্রীয় শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক সিনিয়র আইনজীবী আজিজার রহমান খান (আমেল চৌধুরী) এর মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবীতে বাংলাদেশ ইসলামী আইনজীবী পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে আজ রবিবার বেলা ২টায় ঢাকা জজকোর্ট আইনজীবী সমিতি প্রাঙ্গণে এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতিবাদ সমাবেশে ঢাকা বারের সভাপতি জনাব এ্যাডভোকেট খোরশেদ আলম বলেন, এ্যাডভোকেট আজিজার রহমান খান (আমেল চৌধুরী) একজন সিনিয়র আইনজীবী। তাকে মিথ্যা মামলায় অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা দিয়ে হয়রানী করছে। এমনকি তার পরিবার পরিজনকে তার সাথে দেখা করতে না দিয়ে চরম অমানবিক আচরণ করা হচ্ছে। অবিলম্বে আমেল চৌধুরীকে মুক্তি না দিলে ঢাকা বারের ২২ আইনজীবীকে সাথে নিয়ে দেশের ৭২টি বারে গণআন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

সংগঠনের সেক্রেটারী জেনারেল এ্যাডভোকেট লুৎফুর রহমান শেখ-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ মিছিল পরবর্তী প্রতিবাদ সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বারের সেক্রেটারী এ্যাডভোকেট আজিজুর রহমান খান বাচ্চু, এ্যাডভোকেট শওকত আলী হাওলাদার, এ্যাডভোকেট মাওলানা মুহিবুল্যাহ, এ্যাড. হানিফ মিয়া, এ্যাড. সর্দার মুহা. মানিক মিয়া প্রমুখ।

সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন, সিনিয়র আইনজীবী আমেল চৌধুরীর জামিন নামঞ্জুর করে সরকার হয়রানী ও নির্যাতনের পথ বেছে নিয়েছে। হামলা মামলা করে ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদেরকে দমিয়ে রাখা যাবে না।

সভাপতির বক্তব্যে এ্যাডভোকেট লুৎফুর রহমান শেখ বলেন, নাটোর শহরে মেলার নামে জুয়ার আসর বসিয়ে অবৈধভাবে সাধারণ জনগণের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে স্থানীয় প্রভাবশালী কতিপয় ব্যক্তি। অ্যাডভোকেট আমেল খান চৌধুরী স্থানীয় সচেতন জনগণকে নিয়ে এহেন জুয়া ও মাদকের বিরুদ্ধে স্মারকলিপি পেশ ও মানববন্ধন করে জনগণকে সতর্ক করে আসছিলেন। সর্বশেষ মেলার আয়োজকদের বিরুদ্ধে মামলা করেন তিনি। মামলার তদন্তে অভিযোগের সত্যতা এলে আসামিদের বিরুদ্ধে সমনের নির্দেশ দেয় আদালত। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে স্বার্থান্বেষী মহল স্থানীয় এমপির সহযোগীতায় তার নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার করে হয়রানির পথ বেছে নিয়েছে। আমরা এহেন গ্রেপ্তারের তীব্র নিন্দা জানিয়ে তার নিঃশর্ত মুক্তি দাবী করছি।

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, আজিজার রহমান খানের মত দেশপ্রেমিককে গ্রেপ্তারের মধ্যদিয়ে সরকারের আগ্রাসী আচরণের বহি:প্রকাশ ঘটেছে। এর আগেও স্থানীয় এমপির নেতৃত্বে হামলা চালিয়েছিল নাটোর জেলা ইসলামী আন্দোলন নেতৃবৃন্দের উপরে। হামলা-মামলা দিয়ে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ বন্ধ করা যাবে না। অবিলম্বে আমেল চৌধুরীকে নিঃশর্ত মুক্তি না দিলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

প্রতিবাদ সমাবেশ শেষে আইনজীবীদের একটি মিছিল ঢাকা জজকোর্ট প্রাঙ্গণ প্রদক্ষিণ করে আমেল চৌধুরীর মুক্তি দাবী করেন।

2142Shares