| |

সুনামগঞ্জ -৪ আসনে ইসলামী আন্দোলনের সম্ভাব্য প্রার্থী জনাব এম আব্দুল গফুর

প্রকাশিতঃ ১:৩০ অপরাহ্ণ | নভেম্বর ০৬, ২০১৭

এস এইচ কামরুল, সুনামগঞ্জ (জেলা) সংবাদদাতাঃ সুনামগঞ্জ সদর ও বিশম্ভরপুর উপজেলা নিয়ে সুনামগঞ্জ-৪ আসন। দু’টো উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত এ আসনে ভোটার সংখ্যা প্রায় পৌনে তিন লাখ। জেলা শহর নিয়ে আসনটি গঠিত হওয়ায় এর রাজনৈতিক গুরুত্ব অনেক বেশী। অতীতের বিভিন্ন জাতীয় নির্বাচনে জাতীয় পার্টির সাবেক মন্ত্রী মরহুম মেজর ইকবাল ও বিএনপির সাবেক হুইপ ফজলুল হক আসপিয়া এ আসন থেকে বারবার নির্বাচিত হয়েছেন।২০০৮ এর নির্বাচনে বেগম মমতাজ ইকবাল এমপি নির্বাচিত হলেও তার মৃত্যুজনিত কারণে আসনটি শূণ্য হয়। পরবর্তীতে শূন্য আসনের উপনির্বাচনে এমপি নির্বাচিত হন জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মতিউর রহমান। ২০১৪ সনের ভোটার বিহীন নির্বাচনে মহাজোট থেকে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে এমপি হন এড. পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ। রাজনীতিতে নবাগত ও অখ্যাত মিসবাহ এলাকায় তেমন জনপ্রিয়তা অর্জন করতে সক্ষম হননি। আগামী জাতীয় নির্বাচনে দ্বি-ধারায় বিভক্ত আওয়ামীলীগ ও মহাজোটের প্রার্থীতা নিয়ে চলছে টানাপোড়েন। অন্যদিকে বিএনপির প্রার্থী নিয়েও রয়েছে চরম গৃহবিবাদ। 

এদিকে ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে মাঠে-ময়দানে কাজ করে যাচ্ছেন জনাব আব্দুল গফুর। হাতপাখার প্রার্থী জনাব আব্দুল গফুর বলেন, পীরসাহেব চরমোনাইয়ের নির্দেশে ধর্মপ্রাণ মানুষের ভালোবাসা নিয়ে আমি প্রার্থী হিসেবে কাজ করছি। সুনামগঞ্জ-৪ একটি গুরুত্বপূর্ণ আসন।এ আসনের রাজনীতিতে ইসলামী আন্দোলন ব্যাপক আলোড়ন তুলতে সক্ষম হয়েছে। পীর সাহেব চরমোনাই বিভিন্ন সময় এলাকা সফর করে গেছেন। ইতিমধ্যে জেলা শহর ও বিশম্ভরপুর উপজেলা সদরে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে ফসলহারা কৃষকদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ সহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। জেলা শহরে বিশাল শোডাউনের মাধ্যমে নায়েবে আমীর মুফতী সৈয়দ ফয়জুল করীম শায়খে চরমোনাইকে প্রধান অতিথি করে স্মরণকালের ঐতিহাসিক ওয়াজ মাহফিল, হালকায়ে যিকির, ছাত্র ও যুব জমায়েত করা হয়েছে। ফলে সুনামগঞ্জের মাটি পীর সাহেব চরমোনাইয়ের ঘাটিতে পরিণত হতে যাচ্ছে ইনশাআল্লাহ। 

দলের জেলা সভাপতি ও সুনামগঞ্জ-৩ আসনের প্রার্থী আলহাজ্ব ক্বারী মুহিব্বুল হক আজাদ, ইসলামী যুব আন্দোলন সভাপতি তানভির আহমদ তাসলিম ও সহ সভাপতি মাহফুজুর রহমান সজীব জানান, পীর সাহেব চরমোনাইয়ের নারী নেতৃত্ব বিরোধী অবস্থান ও নীতির প্রশ্নে আপোষহীন ভুমিকার কারণে আলেম-উলামা অধ্যুষিত এ এলাকার মানুষ দলে দলে ইসলামী আন্দোলনের পতাকাতলে সমবেত হচ্ছে। উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে সাংগঠনিক কার্যক্রম ঢেলে সাজানো হচ্ছে। আগামী দিনগুলোতে আমাদের কার্যক্রম আরো জোড়দার ও বেগবান হবে ইনশাআল্লাহ। এখানকার মানুষ খুবই ধর্মপ্রাণ। অতীতে বড় দু’দল ও জোটের নেতারা রাষ্ট্রের গুরুত্বপুর্ণ দায়িত্বে থাকলেও এলাকার কাংখিত কোন উন্নয়ন করেননি।রাস্তাঘাটের অবস্থা অত্যন্ত করুণ। ফলে সাধারণ জনগণ আর ভুল করবে না। পীর সাহেব চরমোনাইয়ের নির্দেশে নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে আমরা প্রার্থীকে নিয়ে মাঠে ময়দানে কাজ করে যাচ্ছি। মানুষ সৎ যোগ্য ও খোদাভীরু প্রার্থী চায়। দুর্নীতি-দুঃশাসন, সন্ত্রাস-টেন্ডারবাজী ও জুলুম-অত্যাচার থেকে মুক্তি চায়। সামাজিক সুবিচার,সুষম উন্নয়ন, সার্বজনীন ইসলামী শিক্ষা ও ইনসাফ ভিত্তিক কল্যাণ রাষ্ট্র কায়েমের লক্ষ্যে মানুষ পরিবর্তন চায়। সৃষ্টি যাঁর, আইন তাঁর এ মৌলনীতিকে সামনে রেখে পীর সাহেব চরমোনাইয়ের নেতৃত্বে জনসাধারণের আশা-আকাংখার প্রতি লক্ষ্য রেখেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি। এলাকার জনগনও সৎ, যোগ্য ও খোদাভীরু নেতৃত্ব চায়।

1309Shares