| |

সরকার জনদুর্ভোগ লাঘবে ব্যর্থ হয়েছে: ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর

প্রকাশিতঃ ৫:২১ অপরাহ্ণ | অক্টোবর ২০, ২০১৭

আইএবি নিউজ : ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ বলেছেন, সরকার নির্বাচনী ওয়াদা অনুযায়ী দেশবাসীকে ১০টাকা কেজিতে চাল খাওয়াতে ব্যর্থ হয়েছে। বর্তমানে চালের কেজি ৬৫/৭০ টাকা। সরকার চাল, ডাল, তেল, লবণ, মাছ, গোশত, তরিতরকারি ও মসলাসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যেরমূল্যের লাগাম টেনে ধরতে পারছেন না। দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধির ফলে সীমিত আয়ের মধ্যবিত্ত ও দরিদ্র লোকদের জীবন-যাপন অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে। সরকার মুখে বড় বড় কথা বললেও নিত্য-প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং আম জনতার দুঃখ-দুর্দশা লাঘবে চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে। নেতৃবৃনদ, সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয় বলেই জনগণের প্রতি তাদের কোন দরদও নেই। সরকার কেবল যে কোন পদ্ধতিতে দীর্ঘদিন ক্ষমতায় টিকে থাকতে চায়।

আজ (শুক্রবার) বাদ জুমআ বায়তুল মোকাররম উত্তর গেটে দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন উর্ধ্বগতি রোধ ও গ্যাস-বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির পাঁয়তারা প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর আয়োজিত বিক্ষোভ পূর্ব সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ সভাপতি মাওলানা ইমতিয়াজ আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ পূর্ব সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম, দক্ষিণ সহ-সভাপতি আলহাজ্ব আলতাফ হোসেন, উত্তর সহ-সভাপতি আলহাজ্ব হারুনুর রশিদ, দক্ষিণ সেক্রেটারী মাওলানা এবিএম জাকারিয়া, উত্তর জয়েন্ট সেক্রেটারী মাওলানা আরিফুল ইসলাম, ডা. শহিদুল ইসলাম, নুরুল ইসলাম নাঈম, মাওলানা এইচ এম সাইফুল ইসলাম, মাওলানা মাসউদুর রহমান চাঁদপুরী, মাওলানা আব্দুল কাদের, অধ্যাপক ফজলুল হক মৃধা, মাওলানা শেখ নূর উন-নাবী, প্রকৌশলি গিয়াস উদ্দিন পরশ, আলহাজ্ব ফরিদ উদ্দিন দেওয়ান, আব্দুল আহাদ, একে এম শরীফুল ইসলাম, সাইফ মুহা: সালমান, হাফেজ শাহাদাত হোসেন প্রমুখ।

তীব্র বৈরী আবহাওয়ার মাঝেও সমাবেশ শেষে ইসলামী আন্দোলনের শত শত কর্মীরা রাজপথে বিক্ষোভ করেছে। সভাপতির বক্তব্যে ইমতিয়াজ আলম বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির ফলে বিপাকে পড়েছে খেটে খাওয়া, শ্রমিক, মজুরসহ সীমিত আয়ের সাধারণ দরিদ্র শ্রেণী ও মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষ। তিনি বলেন, সরকার বাল্য বিবাহ নিষিদ্ধ করছে অপরদিকে ধর্ষণ মারাত্মক আকার ধারণ করছে। বাল্য বিবাহ নিষিদ্ধ করার আগে ধর্ষণ বন্ধ করুন। তিনি বলেন, প্রযুক্তির উন্নয়ন করার সাথে সাথে তা নিয়ন্ত্রণ না করতে পারলে কিশোর, যুব সমাজ ধ্বংসের দিকে ধাবিত হবে। তিনি আরো বলেন, আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে। যা পুলিশ কমিশনারও স্বীকার করছেন। আইনশৃঙ্খলার উন্নতি করতে হবে। একজন প্রসূতি মা ৩ হাসপাতালে গিয়েও স্বাস্থ্য সেবা না পেয়ে রাস্তায় বাচ্চা প্রসব করে প্রমাণ করেছে দেশের স্বাস্থ্য সেবা কোন পর্যায়ে। এ জন্য স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত। তিনি বলেন, বিচার বিভাগকে নিরপেক্ষ না রাখলে মজলুম মানুষ বিচার পাবে না।

860Shares