| |

সমকালীন বিষয়ের উপর পীর সাহেব চরমোনাইর বিশেষ সাক্ষাৎকার

প্রকাশিতঃ ৮:৩৮ পূর্বাহ্ণ | মে ২৪, ২০১৭

আইএবি নিউজ : মুফতি সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল করীম ১৯৭১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি বরিশাল জেলার চরমোনাই গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা মাওলানা সৈয়দ মোহাম্মদ ফজলুল করীম (রহ.) ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের (বর্তমান ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ) আমির ও আমিরুল মুজাহিদীন ছিলেন। তাঁর পিতামহ মাওলানা সৈয়দ ইসহাকও (রহ.) এ দেশের সর্বজনশ্রদ্ধেয় আলেম ও বুজুর্গ ছিলেন। তিনি চরমোনাই আলিয়া মাদরাসা থেকে কামিল হাদিস ও বরিশাল সাগরদী আলিয়া থেকে ইফতা সম্পন্ন করেন। তিনি তাঁর বাবা সৈয়দ মোহাম্মদ ফজলুল করীম (রহ.)-এর কাছে থেকে ১৯৯৪ সালে খিলাফতপ্রাপ্ত হন। ২০১৩ সালে থানভি সিলসিলার অন্যতম খলিফা আল্লামা মাহমুদুল হাসান তাঁকে প্রধান খলিফা হিসেবে স্বীকৃতি দেন। তিনি চরমোনাই আলিয়া ও কওমি উভয় শাখার নাজেমে আলার দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি উভয় শাখার পৃষ্ঠপোষক হিসেবে দায়িত্বরত। দীর্ঘদিন তিনি চরমোনাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলেন। ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ছাত্রজীবনের পর তৎকালীন ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার অন্যতম সদস্য ছিলেন। ২০০৬ সালের ২৫ নভেম্বর বাবার ইন্তেকালের পর ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রেসিডিয়াম সদস্যদের সর্বসম্মতিক্রমে তিনি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও আমিরুল মুজাহিদীনের দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মোশতাক আহমদ

কালের কণ্ঠ : সংবিধান অনুযায়ী তো এ সরকারের অধীনেই আগামী জাতীয় নির্বাচন করতে হবে। শেষ পর্যন্ত যদি এ সরকারের অধীনেই নির্বাচন করতে হয়, তাহলে সেই নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ অংশ নেবে কি না?

পীর সাহেব চরমোনাই : আপনাদের মনে আছে বরগুনার একটি আসনের উপনির্বাচনের কথা। সেই উপনির্বাচনে ক্ষমতাসীন দল যে তাণ্ডব ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপ করেছে তাতে এটা স্পষ্ট, কোনো দলীয় সরকারের অধীনে কখনো সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়। ওই উপনির্বাচনের দিন ক্ষমতাসীন দলের লোকরা কয়েকটি কেন্দ্র থেকে ইসলামী আন্দোলনের পোলিং এজেন্টদের বের করে দেয়। নেতাকর্মীদের মারধর করে। আহত অনেককে হাসপাতালে ভর্তি পর্যন্ত করতে হয়েছে। এর আগে নির্বাচনী ক্যাম্প ভাঙচুর করে। ইসলামী আন্দোলনের ভোটাররা যাতে ভোটকেন্দ্রে যেতে না পারেন, সে জন্য আগে থেকেই ত্রাস সৃষ্টি করা হয়েছিল। ক্ষমতাসীন কোনো দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের এই হচ্ছে নমুনা। তাই কোনো দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার মানেই হয় না। তবে আগামী নির্বাচন কখন কার অধীনে হচ্ছে সেটা দেখেই আমরা সিদ্ধান্ত নেব।

কালের কণ্ঠ : আগামী নির্বাচনে আপনাদের প্রস্তুতি কেমন? দলের সাংগঠনিক অবস্থা নিয়ে কিছু বলুন।

পীর সাহেব চরমোনাই : আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহপাকের অশেষ মেহেরবানি, সারা দেশে ইসলামী আন্দোলনের লাখ লাখ নেতাকর্মী ও সমর্থক রয়েছে। তারা নিশ্চয়ই নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত। সারা দেশের প্রতিটি জেলা, উপজেলা, এমনকি ইউনিয়ন পর্যায়ে ইসলামী আন্দোলনের কমিটি রয়েছে। আপনারা দেখেছেন, সারা দেশে আমাদের যেখানে যে কর্মসূচি হয়েছে তাতে নেতাকর্মীরা ব্যাপক সারা দিয়েছে। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে, সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে গ্রিক মূর্তি অপসারণসহ বিভিন্ন ইস্যুতে ঢাকার কর্মসূচিতে নেতাকর্মীরা অনেক ত্যাগ স্বীকার করে কর্মসূচি সফল করেছে। আগামী নির্বাচনেও তারা ইসলামী আন্দোলনের জন্য কাজ করবে ইনশাল্লাহ।

কালের কণ্ঠ : নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম প্রায়ই বেড়ে যায়। ব্যবসায়ীদের একটি অংশ সিন্ডিকেট করে বাজারে দ্রব্যের দাম বাড়িয়ে দেয়। সামনে রজমান মাসে প্রতিবারের মতো এবারও কিছু কিছু পণ্যের মূল্য বাড়িয়ে ফেলেছে ব্যবসায়ীরা। কিভাবে দেখছেন?

পীর সাহেব চরমোনাই : হ্যাঁ, ঠিকই বলেছেন। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি জনজীবন চরম দুর্বিষহ করে তুলবে। চাল, ডাল, শিশুখাদ্য ও কাঁচা তরকারির মূল্যবৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষ অনেক কষ্ট পায়। তাই কঠোর হস্তে সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়ে কালোবাজারিদের কালো থাবা থেকে সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে সরকারকে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। কোথাও সরকারের নিয়ন্ত্রণ নেই। বাজারদর বৃদ্ধিতে মানুষ অনেক কষ্টে দিনাতিপাত করছে। রোজা আসার আগেই যেভাবে জিনিসপত্রের দাম আকাশচুম্বী হয়ে উঠছে, এতে জনমনে চরম উদ্বেগ ও উত্কণ্ঠা বিরাজ করছে। এভাবে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বাড়তে থাকলে স্বল্প ও মধ্যম আয়ের মানুষের দুঃখ-দুর্দশার কূলকিনারা থাকবে না।

কালের কণ্ঠ : বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালতের সামনে থেকে মূর্তি অপসারণ দাবিতে আপনার দলসহ বিভিন্ন ইসলামী সংগঠন কয়েক মাস ধরে আন্দোলন করে আসছে। আপনারা রমজানের আগেই এটি সরানোর দাবি জানিয়েছেন। কিভাবে বলবেন?

পীর সাহেব চরমোনাই : সুপ্রিম কোর্ট দেশের সর্বোচ্চ আদালত। এটি কোনো নির্দিষ্ট ধর্মের লোকজনের তীর্থস্থান নয়। এটি সবার বিচরণক্ষেত্র। আর এখানেই রয়েছে দেশের জাতীয় ঈদগাহ। এখানে কোনো মূর্তির উপস্থিতি কাম্য নয়। আমরা সরকারকে এটি সরাতে বলেছি। আশা করি, সরকার এ বিষয়ে নিশ্চয়ই পদক্ষেপ নেবে। সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে গ্রিক দেবীর মূর্তি অবিলম্বে অপসারণ করতে হবে এবং রমজানের আগেই মূর্তি অপসারণে আমরা সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছি। না হলে ১৭ রমজান বদর দিবসে কর্মসূচি দেওয়া আছে। সেদিন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা এর প্রতিবাদ করবে। গণভবনে দেশের শীর্ষ আলেমদের সামনে ওয়াদা অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী গ্রিক দেবীর মূর্তি সরানোর ব্যবস্থা করবেন বলে আমরা আশা করি।

কালের কণ্ঠ : হাওরাঞ্চলে অকালবন্যায় বিস্তীর্ণ এলাকার ফসল তলিয়ে গেছে। সেখানকার লাখ লাখ মানুষ অসহায় জীবন যাপন করছে। অভিযোগ আছে, সরকারি একটি সংস্থার গাফিলতির কারণে সেখানে বাঁধগুলো ভেঙে গিয়ে এমন সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। কিভাবে দেখছেন?

পীর সাহেব চরমোনাই : হ্যাঁ, ঠিকই বলেছেন। সরকারের সব সংস্থা যদি সঠিকভাবে তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করত, তাহলে হাওরাঞ্চলে এমন সমস্যা হয়তো হতো না। হাওরসহ সারা দেশে বাঁধগুলো নিয়ে যে সংস্থা কাজ করে সেটি হলো পানি উন্নয়ন বোর্ড। এ প্রতিষ্ঠানের কার্যাদেশ নিয়ে প্রভাবশালী ঠিকাদাররা ৭৬টি বাঁধের মধ্যে ১৫টির কোনো কাজই করেনি বলে আমরা গণমাধ্যমের খবরে জানতে পেরেছি। সেখানে (হাওরাঞ্চলে) ৬১টি বাঁধে ২০ থেকে ৫০ শতাংশ কাজ করা এবং বাঁধ নির্মাণে গাফিলতির কারণেই হাওরে বাঁধ ভেঙে ব্যাপক ফসলহানি হয়েছে ও জনবিপর্যয় নেমে এসেছে। বাঁধ নির্মাণে যে ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতি হয়েছে, এটা প্রায় পরিষ্কার। তাই যারাই বাঁধ নির্মাণে অনিয়ম-দুর্নীতি করেছে, নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষী ব্যক্তিদের শাস্তি দিতে হবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে ক্ষতিপূরণ দিয়ে আগামী ফসল ওঠা পর্যন্ত তাদের সহায়তা করতে হবে।

বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে হাওরাঞ্চলের লাখ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দলীয় নেতাকর্মী, দেশের বিত্তবান ব্যক্তিদের হাওরবাসীর পাশে দাঁড়াতে হবে। হাওরাঞ্চলের মানুষ এখনো অনেক অবহেলিত। সরকারের পর্যাপ্ত উন্নয়নের অভাব রয়েছে। দুর্গত অঞ্চলগুলোয় সরকারি সাহায্য-সহযোগিতা আরো বাড়াতে হবে এবং উন্নয়নের আওতায় আনার কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।

কালের কণ্ঠ : প্রতিবছরই গ্যাসের দাম বাড়ানো হচ্ছে। সরকার যদিও বলছে, এ সেক্টর রক্ষার স্বার্থেই দাম বাড়ানো হচ্ছে। কিন্তু গ্যাস একটি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য। এর মূল্যবৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষের অনেক কষ্ট হয়। গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে কী বলবেন?

পীর সাহেব চরমোনাই : বারবার গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত জনজীবনকে দুর্বিষহ করে তুলছে। বারবার দাম বাড়ানো নিম্ন আয়ের মানুষের ওপর শোষণ চালানোর শামিল। সাধারণ মানুষ যখন নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনে সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছে, তখন নতুন করে গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত হয়ে ওঠে ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’। সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা সরকার বাড়াচ্ছে অথচ মধ্যম ও নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর শোষণ চালাচ্ছে। দেশের সাধারণ মানুষ ভালো অবস্থায় নেই। গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত সাধারণ মানুষের কষ্ট বাড়িয়ে দেয়। তা থেকে সরকারকে বিরত থাকতে হবে।

কালের কণ্ঠ : দেশে এখন কয়েক ধরনের শিক্ষাব্যবস্থা চলে আসছে। এর মধ্যে মাদরাসা শিক্ষার মধ্যে কওমি মাদরাসা শিক্ষা নিয়ে অনেক আলোচনা আছে। প্রতিবছর বহু ছাত্র কওমি মাদরাসা থেকে বের হয়। তাদের কর্মসংস্থান ও কওমি শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে কিছু বলুন।

পীর সাহেব চরমোনাই : আল্লাহর শুকরিয়া, তিনি আমাদের দ্বিনের খেদমত করার তাওফিক দিয়েছেন। দেখেন, দেশে যত ধরনের শিক্ষাব্যবস্থাই চলুক না কেন, ধর্মীয় শিক্ষাকে বাদ দিয়ে কোনো শিক্ষাই পরিপূর্ণতা পায় না। আমাদের দেশে ৯২ শতাংশ মানুষ মুসলমান। এখানে মাদরাসা শিক্ষার কদর থাকা উচিত ছিল। কিন্তু দুঃখের বিষয়, মাদরাসা শিক্ষাকে সেভাবে কখনোই মূল্যায়ন করা হয়নি। এই সরকার যদিও এরই মধ্যে কওমি মাদরাসাকে স্বীকৃতি দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে, তা কিছুটা হলেও কওমি শিক্ষায় ছাত্রদের উৎসাহিত করবে। এ সেক্টরের ছাত্ররা কিছুটা হলেও সরকারি কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবে। তবে কথা হলো, কওমি শিক্ষা নিয়ে আগে সরকারের মনোভাবের পরিবর্তন করতে হবে। সরকার যদি এ সেক্টরের উন্নয়নে কাজ করতে চায়, তাহলে চলমান দেশের অন্য শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে এই কওমি সেক্টরকেও সমান চোখে দেখতে হবে। কওমি মাদরাসার সর্বোচ্চ শ্রেণি দাওরায়ে হাদিসকে মাস্টার্সের মর্যাদা দেওয়ায় আমরা সরকারকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

কালের কণ্ঠ : ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গে অনেক শ্রমিক রয়েছে, যারা তাদের নিত্যদিনের কাজকর্মের পাশাপাশি দ্বিনের খেদমতে কাজ করে। দেশের শ্রম পরিস্থিতি নিয়ে কিছু বলুন।

পীর সাহেব চরমোনাই : শ্রমিকদের মাধ্যমে ইসলামী গণজাগরণ সৃষ্টি করতে হবে। কারণ দেশের ৯২ শতাংশ মুসলমানের মধ্যে ৮০ শতাংশই শ্রমিক। বিভিন্ন স্থানে যুগে যুগে যত বিপ্লব সাধিত হয়েছে, এর মধ্যে কৃষক-শ্রমিকদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের মাধ্যমে কর্মজীবী ও শ্রমজীবী জনগোষ্ঠীকে ঐক্যবদ্ধ করতে পারলে ইসলামী সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। শ্রমিকরা নির্যাতিত, নিপীড়িত, শোষিত, নিগৃহীত ও বঞ্চিত। অন্যদিকে মালিকপক্ষও বিভিন্ন সময় শ্রমিক দ্বারা নির্যাতনের শিকার হয়ে থাকে। এর অন্যতম কারণ হলো মালিক-শ্রমিক সম্পর্কের অবনতি। ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন শুধু শ্রমিকের অধিকারই নয়, মালিক-শ্রমিক সম্পর্কোন্নয়নের মাধ্যমে একটি উন্নত ও বাস্তবসম্মত পরিবেশ সৃষ্টি করতে চায়।

কালের কণ্ঠ : চরমোনাইয়ের মরহুম পীর সাহেব নিয়ে কিছু বলুন।

পীর সাহেব চরমোনাই : আলহামদুলিল্লাহ। মরহুম পীর সাহেব ছিলেন আমার বাবা সৈয়দ মোহাম্মদ ফজলুল করীম। তিনি জীবদ্দশায় ইসলামের খেদমত করে গেছেন। তাঁর দেওয়া পথে আমরা পরিচালিত হচ্ছি। তাঁর লাখ লাখ ভক্ত-মুরিদান আছে। আমরা তাঁর জন্য দোয়া করছি মহান আল্লাহ তাআলা তাঁকে বেহেশতের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করুন। আমার দাদা সৈয়দ ইসহাক সাহেবও একজন আল্লাহওয়ালা দ্বিনি ঈমানদার লোক ছিলেন। তাঁকেও আপনারা জানেন। আমরা দেশের সব মানুষের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া প্রার্থনা করছি।

কালের কণ্ঠ : আমাদের সময় দেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

পীর সাহেব চরমোনাই : আপনাকেও ধন্যবাদ।

 

-দৈনিক কালের কন্ঠ

Optimization WordPress Plugins & Solutions by W3 EDGE