| |

ভোলা-৪ আসনে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী এ্যাডভোকেট মাওলানা মুহিব্বুল্লাহ

প্রকাশিতঃ ৮:৩৫ পূর্বাহ্ণ | অক্টোবর ১৮, ২০১৭

আইএবি নিউজ ডেস্ক : দ্বীপজেলা ভোলার চরফ্যাশন এবং মনপুরা উপজেলা নিয়ে গঠিত ভোলা-৪ আসন।১টি পৌরসভা ও ২৫টি ইউনিয়ন নিয়ে এ আসনে ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৫৮ হাজার ৮৮১। এ আসনে কোনো দলই একক আধিপত্য বিস্তার করতে পারেনি অতীতে। ১৯৯১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় গেলেও এখানে এমপি হন আওয়ামী লীগের অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম। তার আকস্মিক মৃত্যুর পর উপনির্বাচনে বিজয়ী হন আরেক আওয়ামী লীগ নেতা জাফরুল্লাহ চৌধুরী। ডাকসুর এক সময়কার ডাকসাইটে নেতা বিএনপির নাজিম উদ্দিন আলম এসে পাল্টে দেন সব হিসাব। ১৯৯৬ সালে বিএনপির জন্য জয় ছিনিয়ে নেন তিনি। ২০০১ সালেও বিজয় ধরে রাখেন আলম। ১৫ ফেব্রুয়ারির বিতর্কিত নির্বাচনে আবারও এমপি হন তিনি। শেষ পর্যন্ত ওয়ান-ইলেভেনের সময় বিতর্কিত ভূমিকার কারণে জনপ্রিয়তা হারান আলম। ২০০৮ সালে নির্বাচনে আওয়ামী লীগের তরুণ নেতা সাবেক এমপি অধ্যক্ষ নজরুল ইসলামের ছেলে আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকবের কাছে হেরে যান তিনি। ৫ জানুয়ারির নির্বাচনেও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি হন জ্যাকব। দায়িত্ব পান বন ও পরিবেশ উপমন্ত্রীর।

আওয়ামী লীগ এবং বিএনপির উল্লিখিত নেতাদের পাশাপাশি এখানে দলীয় মনোনয়নে নির্বাচন করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন জাতীয় পার্টির ৩ নেতা। এরা হলেন : জাতীয় পার্টির জেলা সভাপতি কেফায়েত উল্লাহ নজিব এবং দু’জন সহসভাপতি যথাক্রমে আবদুল মান্নান এবং মো. মফিজ মিয়া। মনোনয়নের মাঠে ৩ জন থাকলেও একটি বিষয়ে তারা একমত- দল যাকে মনোনয়ন দেবে, তার পক্ষেই নির্বাচনী লড়াইয়ে নামবেন বাকিরা।

এ ছাড়া পীর সাহেব চরমোনাই নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতা অ্যাডভোকেট মাওলানা মো. মুহিব্বুল্লাহ প্রায় দেড় বছর ধরে নির্বাচনী প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। দলের মনপুরা উপজেলা মুজাহিদ কমিটির সভাপতি ডা. মো. মোতালেব জানান, ‘প্রার্থী হিসেবে মাঠে কাজ করছেন মুহিব্বুল্লাহ। আশা করি নির্বাচনী মাঠে আমাদের দলের জনসমর্থনের বিষয়টি পরিষ্কারভাবে দেখতে পারবেন সবাই।’

অ্যাডভোকেট মাওলানা মো. মুহিব্বুল্লাহ বলেন, দেশের স্থায়ী শান্তি, মানবতার মুক্তি, নারী অধিকার প্রতিষ্ঠা, সমৃদ্ধশালী কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ও সন্ত্রাস দুর্নীতি দুঃশাসন নির্মুলে ইসলামকে রাষ্ট্রীয়ভাবে বিজয়ী করার জন্য পীর সাহেব চরমোনাইর নেতৃত্বে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলা-৪ আসনে প্রার্থী হয়েছি।

তিনি বলেন, চরফ্যাশন এবং মনপুরার মানুষ আজ রাজনৈতিকভাবে বাকরুদ্ধ, তারা এ অবস্থা থেকে মুক্তি চায়। এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও মানুষের নৈতিক ও মানবিক অধিকার সুনিশ্চিত করতে আমাদের দল প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। বড় দুই দলের শাসনের নামে শোষণ নীপিড়ন ও সীমাহীন দুর্নীতি দুশাসন জনগণ দেখেছে। তারা এখন পরিবর্তন চায়।

3091Shares