| |

বি-বাড়িয়ায় সৈয়দ ফজলুল করীম রহ. এর জীবন ও কর্ম শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিতঃ ৭:৪২ অপরাহ্ণ | নভেম্বর ১৭, ২০১৭

স্টাফ রিপোর্টারঃ আজ শুক্রবার (১৭ নভেম্বর) বিকাল ৩টায় ইসলামী যুব আন্দোলন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার উদ্যোগে জেলা আইএবি মিলনায়তনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা সৈয়দ মুহাম্মদ ফজলুল করীম (পীর সাহেব চরমোনাই) রহ.-এর জীবন ও কম শীর্ষক আলোচনা সভা শাখা সভাপতি মুফতি আশরাফুল ইসলাম বিলালের

সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মাওলানা সামছ্ আল ইসলাম ভূঁইয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়।আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের এমপি পদপ্রার্থী আলহাজ্ব সৈয়দ আনোয়ার আহাম্মদ লিটন।

বিশেষ অতিথি ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সহ-সভাপতি শেখ মুহাম্মদ শাহ আলম।

আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন জেলা যুব আন্দোলনের সহ-সভাপতি মাওলানা মাহমুদুল হাসান হিফজ, ইসলামী যুব আন্দোলন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানা সভাপতি হাফেজ মাওলানা মাহবুবুর রহমান, আশুগঞ্জ উপজেলা সভাপতি মুফতি মাহমুদুল হাসান কাসেমী, ইশা ছাত্র আন্দোলন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সহ-সভাপতি হাফেজ ইউনুছ আহাম্মদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল করিম হাওলাদারসহ জেলা যুব আন্দোলনের প্রমূখ নেতৃবৃন্দ।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আলহাজ্ব সৈয়দ আনোয়ার আহাম্মদ লিটন বলেন, পীর সাহেব চরমোনাই রহ. ছিলেন সুন্নতে নববীর বাস্তব উদাহরণ। তিনি ছিলেন রূহানিয়াত ও জিহাদের সমন্বিত ধারার প্রবক্তা ও অগ্রপথিক। দেশব্যাপী তার বিচরণ ছিল অবিস্মরণীয় আলোচিত একটি অধ্যায়। মানবরচিত মতবাদ ও কায়েমী স্বর্থবাদীদের মোকাবেলায় তিনি ছিলেন সোচ্চার। মানুষের প্রভুত্ব খতম করে আল্লাহর সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা ছিলা তার জীবনের সবচেয়ে বড় লক্ষ্য। তিনি প্রচলিত কোনো রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠা করেননি, বরং ইসলামী আদর্শ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দল-মত নির্বেশেষে একটি সর্বজনীন ইস্যুভিত্তিক আন্দোলন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তিনি বলতেন, ৫২ ও ৭১ এর মত ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনও একটি আন্দোলন, এটা ইসলাম প্রতিষ্ঠার একটি আন্দোলন। আজ জাতি তাঁর শূণ্যতা কঠিনভাবে উপলব্ধি করছে।কিন্তু এ শূণ্যতা যে পূরণ হবার নয়।

সভাপতির উদ্বোধনী বক্তব্যে মুফতি আশরাফুল ইসলাম বিলাল বলেন, পীর সাহেব চরমোনাই রহ. দিকভ্রান্ত পথহারা মানুষের জন্য ছিলেন আলোকবর্তিকা। তার ছোঁয়ায় লক্ষ লক্ষ যুবক আলোর দিশা পেয়েছে। ইসলাম বিমুখ মানুষ তার সংস্পর্শে এসে ইসলামী জীবনব্যবস্থাকে আকড়ে ধরেছে। জাহেলী সমাজব্যবস্থাকে ভেঙ্গে দিয়ে ইসলামী সমাজব্যবস্থা কয়েমের চেষ্টা করেছেন মৃত্যুর পূর্বমুহূর্ত পর্যন্ত। তিনি এদেশে সমাজ পরিবর্তনের সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন। তাঁর জীবন ও কর্মের আলোচনা ও তার আদর্শের প্রচার ও লালন সমাজ বিপ্লবীদের জন্য সময়ের অন্যতম দাবি।

Optimization WordPress Plugins & Solutions by W3 EDGE