| |

দেশজুড়ে ভাস্কর্যের নামে মূর্তি প্রতিষ্ঠা প্রতিহত করা হবে: ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ

প্রকাশিতঃ ৮:৪৫ অপরাহ্ণ | জুন ০২, ২০১৭

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ-এর সভাপতি মাওলানা ইমতিয়াজ আলম ও নগর উত্তর সভাপতি মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ আজ এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, জনগনের আন্দোলনে অপসারিত মূর্তি পুনরায় সুপ্রিমকোর্ট প্রাঙ্গনে এনেক্স ভবনের সামনে পুন:স্থাপন করে সরকার জনগনের সাথে প্রতারনা করেছে। জনগনের দাবির প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীর আলেমদের সামনে ওয়াদা অনুযায়ী গ্রিক দেবীর মূর্তি অপসারণ করায় মানুষ সন্তোষ প্রকাশ করেছিলো। কিন্তু তারা তাদের চিরাচরিত অভ্যাস অনুযায়ী জনগনকে ধোঁকা দিয়ে বোকা বানিয়ে পবিত্র মাহে রমজানের ১ম দিনের ধর্মপ্রান মুসলমানরা যখন তারাবীর নামাজ পড়ছিল ঠিক সেই সময় গোপনে গ্রীক মূর্তি পুন:স্থাপন করে।

নেতৃবৃন্দ বলেন, পবিত্র রমজান মাসে ঐতিহাসিক বদর যুদ্ধ সংগঠিত হয়েছিলো। তাই প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানী দায়িত্ব হিসেবে রমজান মাসে ভাস্কর্যের নামে মুর্তি প্রতিষ্ঠা সারাদেশে প্রতিহত করা হবে। তারা বলেন, মূর্তি পৌত্তলিকতার প্রতীক। রাসূল সা. মূর্তি ভেঙ্গে তৌহিদবাদ প্রতিষ্ঠা করেছেন। আর ইসলামের প্রথম জিহাদ বদর যুদ্ধ হয়েছিল মুশরিক তথা মূর্তি পুজারীদের বিরুদ্ধে। সুতরাং আজ যারা মূর্তির পক্ষে অবস্থান নিয়েছে তারা মুসলিম নয়। অতএব তাদের জানাযায় কোন মুসলমানের অংশগ্রহণ জায়েজ হবে না এবং কোন ইমামের ইমামতি করার বৈধতাও নেই।

নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, ঈমানী দাবী হিসেবে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচীর মাধ্যমে ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলনের নেতা কর্মীরা গভীর রজনীতে রাজপথে নেমেছিলো। কিন্তু ফজরের নামাজের সময় সম্পূর্ণ বিনা উস্কানীতে পুলিশ কাপুরুষের মত পিছন দিক থেকে অতর্কিত আক্রমন করে অর্ধশত নেতা-কর্মীকে আহত করে এবং ৯ জন নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। আমরা গ্রেফতারকৃত নেতা-কর্মীদের অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তি কামনা করছি। অন্যথায় সারা বাংলাদেশে তীব থেকে তীব্রতর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। এবং গ্রেফতারকৃত নেতা-কর্মীদেরকে বদরী চেতনায় জনগন মুক্ত করে আনতে বাধ্য হবে।

5559Shares