| |

থার্টি ফাষ্ট নাইট সমাজ ধ্বংসের এক বিষাক্ত জগৎ: ইশা ছাত্র আন্দোলন সিলেট জেলা

প্রকাশিতঃ ১০:৫৬ অপরাহ্ণ | ডিসেম্বর ৩১, ২০১৭

মুক্তাদির চৌধুরী, সিলেট প্রতিনিধিঃ ২০১৭ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যরাতে বর্ষবরণের নামে বাঙালী মুসলমানসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মুসলমানগণ মেতে উঠবে বেপর্দা, বেহায়াপনা, বেলেল্লাপনা আর মাতলামীর এক হারাম আনন্দে। যা ইসলাম ও মানবতা কখনো সমর্থন করে না।

আজ ৩১ ডিসেম্বর’১৭ এক যৌথ বিবৃতিতে ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন সিলেট জেলা সভাপতি মু. সোহেল আহমদ ও সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের মিসবাহ উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

নেতৃবৃন্দ বলেন, ১লা জানুয়ারী পালনের ইতিহাস ইসলামের সাথে সম্পৃক্ত নয়। এটা পালন মুসলমানদের কাজ নয়। ইতিহাসের তথ্য অনুযায়ী খ্রিস্টপূর্ব ৪৬ সালে জুলিয়াস সিজার সর্বপ্রথম ইংরেজী নববর্ষ উৎসবের প্রচলন করেন। সাধারণভাবে প্রাচীন পারস্যের পরাক্রমশালী সম্রাট জমশীদ খ্রিস্টপূর্ব ৮০০ সালে এই নওরোজের প্রবর্তন করেছিল এবং এ ধারাবাহিকতা এখনো পারস্য তথা ইরানে নওরোজ ঐতিহ্যগত নববর্ষের জাতীয় উৎসব

পালিত হয়। ইরান হতেই ইহা একটি সাধারণ সংস্কৃতির ধারা হয়ে মধ্য প্রাচ্যের বিভিন্ন মুসলিম দেশ এবং ভারত উপমহাদেশে প্রবেশ করে। ধীরে ধীরে সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে থার্টি ফাষ্ট নাইট নববর্ষ পালন করা হচ্ছে।

নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, থার্টি ফাস্ট নাইট পালন মুসলমানদের কোন উৎসব নয়, বরং এটি বিজাতীয়-বিধর্মীদের উৎসব এবং সমাজ ধ্বংসের এক বিষাক্ত জগৎ । থার্টি ফাস্ট নাইট পালন অর্থ হলো বিজাতীয়-বিধর্মীদের অনুসরণ, অথচ ইসলাম পরিপূর্ণ দ্বীন। তাই সকল মুসলমানদের

এই সমস্ত বিজাতীয়-বিধর্মীদের অনুসরণ থেকে নেতৃবৃন্দ বিরত থাকার আহবান জানান।

53Shares