| |

তোষামুদে শব্দ পরিহারের নির্দেশ দিলেন ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সহ-সভপতি

প্রকাশিতঃ ৩:৪৬ অপরাহ্ণ | জানুয়ারি ০৫, ২০১৮

ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলনকে বুর্জোয়া রাজনীতির বিপরীত সংগঠন উল্লেখ করে পরিভাষাগত শব্দ ব্যবহারের ব্যাপারে সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দিয়েছেন ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি শাইখ ফজলুল করীম মারুফ। আজ শুক্রবার (৫ জানুয়ারী’১৮ইং) তাঁর ফেসবুক একাউন্টে তিনি এই নির্দেশনা প্রদান করেন।

তিনি বলেন, বুর্জোয়া রাজনীতি ও ইসলামী আন্দোলনের মাঝের পার্থক্যটা বুঝতে পারা জরুরী। হ্যাঁ! অনেক সময় ইসলামী আন্দোলনের কার্যক্রম আর বুর্জোয়া রাজনীতির কার্যক্রম একই রকম মনে হতে পারে। কিন্তু চরিত্রগত ও উদ্দেশ্যগত ভিন্নতা সর্বদাই বিদ্যমান থাকে। এই ভিন্নতা যদি বজায় না রাখা যায়, তাহলে ইসলামী আন্দোলন আর বুর্জোয়া রাজনীতির পার্থক্য থাকে না।

ইসলামী আন্দোলনে আমরা কারো আনুগত্য করি তার সাংগঠনিক অবস্থানের কারণে, সংগঠনে তাঁর অবদানের কারণে এবং তাঁর খোদাভীতির কারনে। এখানে ব্যক্তির প্রতি অনুগত্য করা হয় না। সেজন্য ব্যক্তি বন্দনাও ইসলামী আন্দোলনে নাই। বুর্জোয়া রাজনীতিতে ব্যক্তি বন্দনা চলে। কারণ, সেখানে আনুগত্যও ব্যক্তির প্রতি হয়।

জাহেলী সমাজের প্রভাবে আমাদের মাঝেও জাহেলী রাজনীতির কিছু রীতিনীতির প্রবেশ ঘটছে। বিষয়গুলোতে আমাদের সতর্ক থাকা উচিৎ। আমি আগেও আমাদের কিছু বৈশিষ্ট্যের কথা বলেছিলাম।

ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন কোথাও “ছাত্র নেতা” শব্দ ব্যবহার করে না। আমরা দ্বায়িত্বশীল মনে করি। ছাত্র আন্দোলনের কোন দ্বায়িত্বশীল কোন মঞ্চে আসলে শ্লোগান দেয়া যায় না। “নেতাজ্বী, প্রিয় হে, শায়খ, আমার নেতা” ইত্যাদি শব্দ ব্যবহার করার নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

ইশা ছাত্র আন্দোলন মেধাবীদের সংগঠন। কিন্তু সুনির্দিষ্টভাবে কাউকে “মেধাবী ছাত্র নেতা”,  তারুণ্যের অংহকার” বলা আমাদের রেওয়াজ না। একেবারে নগন্য হলেও এসব শব্দের ব্যবহার ইদানিং লক্ষ করা যাচ্ছে।

যারা এগুলো করছেন তাদেরকে বিনয়ের সাথে বলবো, ইসলামী আন্দোলনের বৈশিষ্ট্য ভুলে জাগতিক রাজনীতির মতো আচরণ করবেন না। ইসলামী রাজনীতির অনন্য বৈশিষ্ট্য যদি আমরা ভুলে যাই তাহলে আমাদের মাঝেও জাগতিক রাজনীতির কলুষতা প্রবেশ করবে। সম্ভবনাময় একটা আন্দোলন ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

আশা করি বিষয়টা বুঝবেন।

Optimization WordPress Plugins & Solutions by W3 EDGE