| |

ঢাকা-১৩ আসনে উজ্জীবিত হাতপাখার তরুণ প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মুরাদ হোসেন

প্রকাশিতঃ ১:২৫ অপরাহ্ণ | আগস্ট ১৪, ২০১৮

রাজধানী মোহাম্মপুররের ২৯, ৩১, ৩২, ৩৩ ও ৩৪, আদবরের ৩০ এবং শেরে বাংলা থানার ২৮নং ওয়ার্ড এই তিন থানার ৭টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত ঢাকা-১৩ আসন। মোহাম্মদপুর কেন্দ্রিক এই আসনে ১৯৯১ সালে বেগম খালেদা জিয়া, ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগের মকবুল হোসেন, ২০০১ সালে বিএনপির মরহুম অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব উদ্দিন, ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগের অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক এবং ২০১৪ সালের বিতর্কিত নির্বাচনে কোন প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়াই বিজয়ী হয়ে এই আসনটি ধরে আছেন। একটানা ১০ বছর এমপি থাকায় এলাকার রাস্তা-ঘাট উন্নয়ন ও বেড়ি বাঁধের শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থান প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তিনি যে উন্নয়ন করেছেন তা এলাকাবাসী অবলোকন করছে। কিন্তু মাদকের সয়লাব, ফুটপাথ দখল, বছরজুড়ে রাস্তা-ঘাট খোঁড়া-খুড়ির দলীয় নেতাদের খবরদারিমূলক আচরণ তার অর্জনকে ম্লান করে দিয়েছে।

আওয়ামীলীগ ও বিএনপি ধারাবাহিকভাবেই এই আসনটি একজনের পর আরেকজন পেলেও ভোটার মাঠে এবার পরিবর্তনের কড়া নাড়ছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর পীর সাহেব চরমোনাই মনোনীত ইসলামী যুব আন্দোলন ঢাকা মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক তরুণ জননেতা ইঞ্জিনিয়ার মুহাঃ মুরাদ হোসেন। কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং-এ বিএসসি করা এই তরুণ নেতা। এক সময় যখন মোহাম্মদপুর, আদাবর ও শেরে বাংলা এই তিন থানা মোহাম্মদপুর থানার আওতাধীন ছিল তখন মোহাম্মপুর থানা ইশা ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি ছিলেন ও পরবর্তীতে ঢাকা মহানগর পশ্চিম ইশা ছাত্র আন্দোলনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। এবং সেই সময় স্কুল-কলেজ, আলিয়া ও কওমী মাদ্রাসার এক বিশাল ছাত্র গোষ্ঠী নিয়ে সংগঠন পরিচালনা করেন যাদের বেশির ভাগই এখন বিভিন্ন মসজিদে ইমাম-খতিব কেউ কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষক কেউ ব্যবসা ও অন্যান্য পেশায় নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। বর্তমানে তিনি ইসলামী যুব আন্দোলন ঢাকা মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে থাকায় এলাকার ছাত্র ও যুবকদের এক বিশাল জনগোষ্ঠী তার নির্বাচনী হাতকে শক্তিশালী করছে।ব্যাক্তিগত জীবনে তার সহজ-সরল জীবন যাপন এলাকার সকল শ্রেণীর মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। নির্বাচনের সঠিক পরিবেশ গড়ে উঠলে এবার ঢাকা-১৩ আসনে লড়াই হবে চতুর্মুখী।

 

366Shares