| |

ঠুনকো অজুহাতে প্রার্থীতা বাতিল সংবিধান সম্মত নয়: অধ্যক্ষ ইউনুস আহমাদ

প্রকাশিতঃ ১০:৩৫ অপরাহ্ণ | ডিসেম্বর ০৪, ২০১৮

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত ৩০০ প্রার্থীদের মধ্যে ১৯জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র গৃহিত হয়নি রিটার্নিং অফিসারের বাছাইয়ে। যার বেশিরভাগই বাতিল করা হয়েছে ঠুনকো অজুহাতের ভিত্তিতে।

গত ২ ডিসেম্বর জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার বাছাইয়ে ইসলামী আন্দোলনের যেসব প্রার্থীর প্রার্থীতা বাতিল করা হয়েছে; তাদের প্রায় সবার ক্ষেত্রেই খুবই লঘু কারণ ছিল বলে দাবী করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর মহাসচিব।

মঙ্গলবার (৪ ডিসেম্বর’১৮) এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, আইনের মারপ্যাচ দেখিয়ে প্রার্থীতা বাতিল করার মাধ্যমে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর অগ্রযাত্রাকে থামিয়ে দেয়া যাবেনা। আমরা প্রার্থীতা বাতিলের ত্রুটিপূর্ণ এই কার্যক্রমকে আইনীভাবে চ্যালেঞ্জ করছি। আমরা আপিল করেছি। আশা করছি, আমরা সুবিচার পাবো, ইনশাআল্লাহ।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশন একপেশে নীতিতে চলছে। দলভেদে তারা আচরণবিধি পাল্টাচ্ছে। নির্ধারিত সময়ের আগে প্রচারনা ও শোডাউন নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও ক্ষমতাসীন দলের অনেক প্রার্থী নির্দ্বিধায় আচরণবিধি লঙ্ঘন করে চলেছে। অথচ নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ নির্বিকার। বিপরীতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর নিয়মতান্ত্রিক সাংগঠনিক কাজেও আচরণবিধি লঙ্ঘনের নামে বাধার সৃষ্টি করা হয়েছে, এমনটি আমাদের কাছে অভিযোগ আছে।

অধ্যক্ষ ইউনুছ আহমাদ আরও বলেন, সারাদেশে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি হয়েছে। ইসি যদি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে সক্ষম হয়, তাহলে এবারের নির্বাচনে ব্যলট বিপ্লবের সূচনা হবে। নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সকল দলের সমান সুযোগ নিশ্চত করার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। তারা তাদের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়, তাহলে এবারের নির্বাচনও হবে প্রশ্নবিদ্ধ এবং অগ্রহণযোগ্য। এর ফলে দেশ এক মহাসংকটে পড়বে বলে আমাদের ধারণা।

0Shares