| |

কৃষকের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ১৫ দফা দাবী বাস্তবায়ন করুন: ইসলামী কৃষক-মজুর আন্দোলন

প্রকাশিতঃ ৯:৩৬ অপরাহ্ণ | ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০১৮

কৃষক ও কৃষি মজুরদের প্রকৃত মর্যাদা, ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা, কৃষক ও কৃষি সেক্টর বাঁচাতে জাতীয় বাজেটে কৃষিতে সর্বোচ্চ বরাদ্ধ দেয়া, কৃষকদের সার, সেচ ও উন্নতজাতের বীজ বিনামূল্যে দেয়া এবং কৃষকদের চিকিৎসা ও তাদের সন্তানদের শিক্ষার জন্য ৫০% ভর্তুকি দেয়াসহ ১৫ দফা দাবী ঘোষণা করেছে ইসলামী কৃষক মজুর আন্দোলন।

গতকাল সকালে ঢাকার পুরানা পল্টনস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় উপরোক্ত দাবী করা হয়। সংগঠনের কেন্দ্রীয় সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ হাফিজ উদ্দীন এর সভাপতিত্বে ও কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম কবির এর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সভাপতি অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন।

বক্তব্য রাখেন, ইসলামী কৃষক মজুর আন্দোলনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ নাছির উদ্দীন, সহকারী সাধারণ সম্পাদক এ. এস. এম. আতিকুর রহমান, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এস. এম. ইকবাল বিন আশ্রাফ, সহকারী দপ্তর সম্পাদক এইচ এম আফজাল হোসেন, সহকারী আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড মোঃ মফিজুর রহমান, কৃষি তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মাওঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন প্রমূখ।

ইসলামী কৃষক-মজুর আন্দোলন-এর ১৫ দফা দাবীসমূহ হলো- কৃষকদের সার, সেচ ও উন্নতজাতের বীজ বিনামূল্যে দিতে হবে। কৃষকদেরকে বিনা সুদে সহজশর্তে ঝৃণ দিতে হবে। কৃষকের উৎপাদিত সবজি সংরক্ষণে সরকারকে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। কৃষি সরঞ্জামাদির মূল্য কমানো ও পরিবহন ব্যবস্থা নিরাপদ করতে হবে। উৎপাদিত পণ্য ভোক্তার কাছে দ্রুত পৌঁছে দেয়া ও ন্যায্য মূল্যে বিক্রয়ের ব্যবস্থা করতে হবে।উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি ও উৎপাদন ব্যয় কমানোর বিষয়ে সরকারকে কার্যকরী ব্যবস্থা নিতে হবে। রবি শস্য উৎপাদনকালীন সময়ে বিদেশ থেকে সবজি আমদানী বন্ধ রাখতে হবে। কৃষক মজুরদের প্রকৃত মর্যাদা দিতে হবে। কৃষকের সন্তানদের জন্য চাকুরীর জন্য বিশেষ কোটা ব্যবস্থা চালু করতে হবে। দেশের বিভিন্ন এলাকায় অনাবাদি খাস জমি দরিদ্র কৃষকদেরকে সহজশর্তে বরাদ্দ দিয়ে দারিদ্রতা দূরীকরণের ব্যবস্থা নিতে হবে।কৃষকদের দক্ষ করে গড়ে তোলার জন্য কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহারে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। বীজ ও কীটনাশকের ভেজালের কারণে ফসল ক্ষতিগ্রস্থ হলে তার উপযুক্ত ক্ষতিপূরন দিতে হবে। কৃষকদের চিকিৎসা ও তাদের সন্তানদের শিক্ষার জন্য ৫০% ভর্তুকি দিতে হবে। জাতীয় বাজেটে কৃষিতে সর্বোচ্চ বরাদ্ধ দিতে হবে। কৃষক ও কৃষক মজুরদের জন্য কৃষি বীমা চালু করতে হবে।

অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন বলেন, কৃষকদের মর্যাদা অধিকার প্রতিষ্ঠায় কৃষকদের ১৫ দফা দাবী বাস্তবায়নে পীর সাহেব চরমোনাই এর নেতৃত্বে দেশের সকল কৃষকদেরকে সংগঠিত করে ইসলামী হুকুমত প্রতিষ্ঠার ঈমানী আন্দোলনকে জোরদার করতে হবে।

405Shares