| |

কথিত সুশীলদের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা সংস্থাগুলো আন্তর্জাতিক সাম্রজ্যবাদের পেইড এজেন্ট

প্রকাশিতঃ ৫:৪৬ অপরাহ্ণ | ডিসেম্বর ২৬, ২০১৭

গাজী আতাউর রহমান: দেশে একশ্রেণির কথিত সুশীলদের দেতৃত্বে কিছু সংস্থা আছে যেগুলোর মিডিয়া-গুরুত্ব ব্যাপক। যেমন, সিডিপি, টিআইবি, সুজন, ফেমা, ডেমোক্রেসি ওয়াচ ইত্যাদি।

সাধারণ মানুষ মনে করে, এসব সংগঠন দেশের স্বার্থে কাজ করছে। আসলে কি তাই?

আসলে আন্তর্জাতিক পুঁজিবাদ ও নব্য সাম্রাজ্যবাদের নানামূখী উইং রয়েছে। তাদের রাজনৈতিক পোষ্যদের বাইরেও প্যারালাল ব্যাবস্থাপনা থাকে। সেটা সিভিল সোসাইটির মধ্যেও হতে পারে আবার বিভিন্ন বাহিনীতেও হতে পারে।

আমাদের দেশের কথিত সুশীলদের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা মূখরোচক সংস্থাগুলো মূলতঃ আন্তর্জাতিক সাম্রজ্যবাদেরই পেইড এজেন্ট। তারা সাম্রাজ্যবাদের পক্ষ হয়ে কৌশলে এদেশের দূর্নীবাজ ও লুটেরা গুষ্ঠীর পাহারাদারী করে। পুঁজিবাদ ও সাম্রাজ্যবাদের স্বার্থবিরোধী কোন শক্তি সমাজে ও রাষ্ট্রে মাথা তুলে দাড়াতে না পাড়ে, সে দিকে  তারা তীক্ষ্ণ নজর রাখে।

দৈনিক প্রথম আলোতে সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারের ইসলামী আন্দোলনের ব্যাপারে দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোকে সতর্ক থাকার নসিহত করা এই নজরদারিরই অংশ।

রংপুর সিটি নির্বাচন কী বার্তা দিল- শিরোনামে এক রাজনৈতিক বিশ্লেষণে তিনি লিখেছেন, ‘রংপুরের আরেকটি উপেক্ষিত বার্তা হলো যে ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী এটি এম গোলাম মোস্তফা ২০১২ সালে ১৫ হাজার ৬৮১ ভোট পেলেও এবার পেয়েছেন ২৪ হাজার ছয় ভোট। অর্থাত ধর্মাশ্রয়ী দলটির ভোট বেড়েছে ৫৩ শতাংশ। আমাদের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নেয়া আবশ্যক।’

প্রধান রাজনৈতিক দল বলতে তিনি অবশ্যই আওয়ামী লীগ, বিএনপিকে বুঝিয়েছেন। যারা দীর্ঘদিনের ইতিহাসে দূর্নীতি আর দুঃশাসন ছাড়া জাতিকে ভালোকিছু উপহার দিতে পারেনি।

এই হলো আমাদের সুশীল নেতার সুশানের জন্য ক্যাম্পিনের নমুনা!

গোটা জাতি যখন দুর্নীতি ও দুঃশানের প্রতিক লুটেরা রাজনীতিকদের কবল থেকে নাজাত পাওয়ার জন্য উম্মুখ, তখন সাম্রাজ্যবাদের এসব এজেন্টরা লুটেরাদের ভবিষ্যত রক্ষায় পেরেশান।

অপেক্ষা করো! আল্লাহ চাহেতো তোমাদের পেরেশানী আরো বাড়বে। 

কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব, 

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ

499Shares